নাছির উদ্দীন রাজ, টেকনাফ।
হাবিবুল্লাহ সে একজন রোহিঙ্গা শরনার্থী যুবক । ১৭ সালে মায়নমার থেকে ১০ লক্ষ্য রোহিঙ্গার সাথে প্রাঁণ বাচাতে পালিয়ে আসেন বাংলাদেশে। অন্যান্য রোহিঙ্গাদের মত মানবতার সার্থে পরিবার সহ সেও আশ্রয় নেয় জাদিমুড়া রোহিঙ্গা ক্যাম্পে। কিন্তুু তার পরিবারের সকলে রোহিঙ্গা ক্যাম্পে শরনার্থী হিসেবে ডাটা কার্ড করে ক্যাম্পের সমস্ত সুযোগ সুবিধা ভোগ করলেও সেই সে হাবিবুল্লাহ ঐ সমস্ত সুযোগ সুবিধা স্বইচ্ছায় এড়িয়ে চলেছেন বলে জানাগেছে। যার কারণে সে রোহিঙ্গা বা দেশের কোন জনসংখ্যার জরিপে নেই। ফলে সে যদি এ দেশে কোন অপরাধ সংগঠিত করেন তাকে সনাক্ত করতে বা আইনের আওতায় আনা কষ্ট হবে, যেহেতু তার নিদিষ্ট ঠিকানা নেই বলে মন্তব্য করেছেন এলাকাবাসী।
কেউ কেউ বলছেন, সে দীর্ঘদিন ধরে থাকেন ক্যাম্পের বাইরে। এলাকায় প্রভাব বিস্তারের জন্য প্রতি মাসে ম্যানেজ করেন স্থানীয় প্রভাব শালিদের এমন তথ্য অনেক । তাহার এমন কান্ডে স্থানীয়দের মাঝে সৃষ্টি হয়েছে মিশ্র প্রতিক্রিয়া। কি কারণে রোহিঙ্গা হাবিবুল্লাহ ক্যাম্পের ডাটা কার্ডে অন্তর্ভুক্ত হচ্ছেন না এবং কাঁটাতারের বাইরে অবস্থান করছেন এ সবকিছু নিয়ে সাধারণ মানুষ আছেন রীতি মত আতঙ্কে। হাবিবুল্লাহ কে ক্যাম্পে ফেরানো না হলে যে কোন সময় রোহিঙ্গা ক্যাম্প কেন্দ্রিক গড়ে উঠা অপরাধ চক্র গুলোর সাথে জড়ি হয়ে এলাকায় ভয়াবহ পরিস্থিতি সৃষ্টি করতে পারে বলে ধারণা এলাকাবাসীর।
জাদি মুড়া ক্যাম্পের হেড মাঝি মোহাম্মদ নুর জানান, সে আমাদের ক্যাম্পে থাকেন না, রোহিঙ্গা ডাটা কার্ডেও তাহার নাম নেই। আরো থাকেন কাটাতারের বাইরে। কেন স্বইচ্ছায় তিনি ক্যাম্পে থাকছেন না তার রহস্য আমি জানিনা।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক স্থানীয় জানান, হাবিবুল্লাহ ক্যাম্পের বাইরে থাকার দেখা দেখিতে আরো অনেক রোহিঙ্গা কাটাতারের বাইরে থাকার জন্য উৎসাহিত হচ্ছেন । পাশাপাশি স্থানীয় অনেক প্রভাবশালীদের সাথে বৈবাহিক সম্পর্কও তৈরি করছেন।
এ বিষয়ে রোহিঙ্গা হাবিবুল্লাহ বলেন, আমি কাটাতারের বাইরে যে বাসায় থাকি তা আমার বাবার। আমি অপহরণের ভায়ে ক্যাম্পে থাকি না।
অবৈধ ব্যবসা আগে করলেও এখন করিনা। আমি জেল থেকে এসে ভাল হয়ে গেছি।
২ম পর্বে আরো বিস্তারিত আসছে...
উপদেষ্টা সম্পাদক : জহির আহমদ, টেকনাফ উপজেলা বীর মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার।
অফিস : আবু সিদ্দিক মার্কেট, টেকনাফ, কক্সবাজার।
মোবাইল : ০১৯০৭-৭৫৮২৫০, ০১৮৫১-৯২৯৬৫৮
Developed By : AzadWebIT.Com