1. akfilmmultimedia@gmail.com : admin2020 :
  2. teknafchannel71@gmail.com : teknaf7120 :
বৃহস্পতিবার, ১৬ জুলাই ২০২৬, ০২:২৮ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
রঙ্গিখালী ফাজিল ডিগ্রী মাদ্রাসার সম্পদের লাগিয়ত বা চুক্তি মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষ ছাড়া অন্য কারো সাথে না করার নির্দেশ – সভাপতি জামাল উদ্দিন  এবার ১ দোকানি অপহরণ ৫০ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি  টানা বৃষ্টিতে কর্ম হীন মানুষ ত্রাণ নিয়ে পানি বন্দি মানুষের পাশে এমপি শাহজাহান চৌধুরী কোটি টাকার ইয়াবা সহ র‍্যাব-১৫’র হাতে আটক নারী কারবারি  টেকনাফে চলাচলের রাস্তা বন্ধের প্র’তি’বা’দ করায় কলেজ ছাত্রকে হ’ত্যা!  সীমান্ত নিরাপত্তা, অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার, অপহরণ ও মাদক বন্ধে কঠোর সিদ্ধান্ত হয়েছে – এমপি শাহজাহান চৌধুরী, আইন শৃঙ্খলা কমিটির বিশেষ সভা শেষে গণমাধ্যম কে।  হোয়াইক্যং ঝিমংখালী হাসান বিন আলী (রাঃ) জামে মসজিদ ও হেফজখানার নতুন পরিচালনা কমিটি ঘোষণা  মিয়ানমারের অভ্যান্তরে ভয়াবহ বিস্ফোরণের বিকটশব্দে কাঁপছে টেকনাফ সীমান্ত আতস্কে স্থানীয়রা  সাজা থেকে বাঁচতে পলাতক থেকেও লাভ হয়নি অবশেষে র‍্যাব-১৫’র জালে!  র‍্যাব ১৫ ও পুলিশের যৌথ অভিযানে ৪জন তরুণ টেকনাফের গহীন পাহাড় থেকে উদ্ধার 

টেকনাফের ইয়াবা কারবারি বাবা-ছেলের বিরুদ্ধে দুদকের মামলা

  • আপডেট সময় : বুধবার, ২২ মে, ২০২৪
  • ৩২০ বার পড়া হয়েছে

টেকনাফ (কক্সবাজার) সংবাদদাতা

কক্সবাজারের টেকনাফের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালযয়ের তালিকাভুক্ত ইয়াবা কারবারি বাবা-ছেলে জ্ঞাত আয়বহির্ভূত প্রায় সাত কোটি টাকার সম্পদ অর্জনের অভিযোগে তাদের বিরুদ্ধে দুটি পৃথক মামলা করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।

 

সোমবার (২০ মে) জামাল হোসাইনের বিরুদ্ধে দুদক কক্সবাজার সমন্বিত জেলা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক মো. রিয়াজ উদ্দিন এবং ছেলে শাহ আজমের বিরুদ্ধে উপসহকারী পরিচালক পার্থ চন্দ্র পাল বাদী হয়ে মামলা দায়ের করেন।

জামাল হোসাইন টেকনাফ উপজেলার হ্নীলা ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ডের মেম্বার সে রঙিখালী গ্রামের মৃত হায়দার আলীর ছেলে।

জানা গেছে, মাদক কারবারির মাধ্যমে জ্ঞাত আয়বহির্ভূত জামাল হোসাইন ২ কোটি ৪৫ লাখ ৫২ হাজার ৮৮৪ টাকা এবং শাহ আজম ৪ কোটি ১৮ লাখ ৮৫ হাজার ৭৯০ টাকার সম্পদ ভোগদখলে রাখার অভিযোগে এ মামলা দুটি হয়েছে।

এবং দুদক থেকে তাদের নামে জারি করা সম্পদ বিবরণী দাখিলের আদেশ গ্রহণের পরও সম্পদ বিবরণী দাখিল না করে এবং জ্ঞাত আয়ের উৎসের সঙ্গে অসঙ্গতিপূর্ণভাবে বাবা-ছেলে প্রায় ৭ কোটি টাকার সম্পদ ভোগদখলে রাখার বিষয়টি প্রাথমিকভাবে প্রমাণিত হয়েছে।

এর কারণে তাদের বিরুদ্ধে দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪ এর ২৬(২) ও ২৭(১) ধারায় মামলা দুটি করা হয়েছে।

দীর্ঘদিন ধরে জামাল মেম্বার ও তার ছেলে শাহ আজম মাদক কারবার করে আসছেন। তাদের মাদক কারবার ধরে রাখতে ও আধিপত্য টিকিয়ে রাখতে বিশাল একটি সশস্ত্র গ্রুপ তৈরি করে রাখছেন।

এ গ্রুপ ব্যবহার করে অস্ত্রেরের পাহারায় মিয়ানমার থেকে টেকনাফে মাদকের চালান নিয়ে আসেন। শাহ আজমের বিরুদ্ধে মাদক-অস্ত্র ও মানিল্ডারিংসহ ২১ টি মামলা রয়েছে। এবং তার পিতা জামাল হোসাইন মেম্বারের বিরুদ্ধে মাদক ও অস্ত্রসহ ১১টি মামলা রয়েছে।

টেকনাফ মডেল থানার ওসি মুহাম্মদ ওসমান গনি বলেন, দুদক যাদের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেছে জামাল হোসাইন মেম্বার ও শাহ আজমের বিরুদ্ধে চট্টগ্রাম ও টেকনাফ থানায় ৩২টি মামলা রয়েছে।###

নিউজটি শেয়ার করুন..

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর

copy off