নাছির উদ্দীন রাজ, টেকনাফ।
কক্সবাজার টেকনাফ ব্যাটালিয়ন (২বিজিবি’র ) মাদকবিরোধী অভিযানে ১০ হাজার পিচ ইয়াবা উদ্ধার করা হয়েছে এবং এর সাথে জড়িত দুই মাদক পাচারকারীকে আটক করতে সক্ষম হয়। বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)’র K-9 ইউনিটের দক্ষ ডগ ‘মেঘলা’ এই বিপুল পরিমাণ মাদক শনাক্তকরণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। আটকেরা হলেন, উখিয়া থানার ১৫ নং জামতলি এফডিএমএন ক্যাম্প, ব্লক-এ/৩ বাসীন্দা মৃত হারুন এর ছেলে মোহাম্মদ রফিক (২৯), বান্দরবান জেলার মান্নান মেম্বরপাড়া গ্রামের মৃত ইউসুফ আলীর ছেলে আবুল কাশেম (২৬)।
শনিবার (৩০ আগস্ট) সন্ধায় টেকনাফ ব্যাটালিয়ন (২বিজিবি’র) অধিনায়ক লেঃ কর্ণেল আশিকুর রহমান এক সংবাদ বিঙপ্তিতে বিষয় টি নিশ্চিত করেছেন।
তিনি জানান, টেকনাফ ব্যাটালিয়ন (২ বিজিবি’র ) দমদমিয়া চেকপোস্টে কর্তব্যরত বিজিবি সদস্যরা কুতুপালং হতে টেকনাফগামী একটি রেজিঃ বিহীন ‘সিএনজি’ (চেসিজ নং MBX0004CFMF116855 এবং ইঞ্জিন নং অস্পষ্ট) তল্লাশীর জন্য থামায় । সিএনজি’টি থামানোর পর, বিজিবি K-9 ইউনিটের দক্ষ সদস্য ডগ ‘মেঘলা’ (বিজিডি-১০৮৯, নারকোটিক্স, মহিলা) তল্লাশি শুরু করলে তাৎক্ষণিকভাবে সিএনজি’র পিছনের সিটের বাম পাশে বসা বস্তাসহ একজন আসনধারীর ( যাত্রীর ) বস্তায় ক্রমাগত সংকেত দিতে থাকে। একই মুহূর্তে ঐ আসনের আরোহীর সন্দেহজনক আচরণ কর্তব্যরত বিজিবি সৈনিকদের নজরে আসে।
পরবর্তীতে সৈনিকরা তাকে এবং বস্তাটি তল্লাশি করে বস্তার ভিতরে রাজমিস্ত্রীর কাজে ব্যবহৃত সরঞ্জামাদির নিচে লুকানো বিশেষভাবে মোড়কজাতকৃত অবস্থায় ১০ হাজার পিস ইয়াবা ট্যাবলেটসহ আটক করে। উক্ত সময়ে অবৈধভাবে মাদকদ্রব্য পরিবহনে ব্যবহৃত সিএনজি’র চালক দৌড়ে পালানোর চেষ্টা করলে বিজিবি টহল দল কর্তৃক তাকে আটক করে।
আটককৃত আসামীদের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা দায়েরপূর্বক জব্দকৃত আলামতসহ টেকনাফ মডেল থানায় হস্তান্তরের কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন।
Leave a Reply