নিজস্ব প্রতিবেদক:
টেকনাফ সদর ইউনিয়নকে বিভক্ত করে নতুন ইউনিয়নের নাম ‘টেকনাফ উপকূলীয় ইউনিয়ন পরিষদ’ প্রস্তাব করার একটি চিঠিকে কেন্দ্র করে স্থানীয় বাসিন্দাদের মাঝে তীব্র ক্ষোভ ও অসন্তোষ দেখা দিয়েছে।
১১ আগস্ট (মঙ্গলবার) টেকনাফ সদর ইউনিয়ন পরিষদের প্যাডে প্রশাসনিক কর্মকর্তা মো. নাসির উদ্দিনের স্বাক্ষরিত একটি প্রতিবেদন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। প্রতিবেদনে রাজার ছড়া, হাবির ছড়া, মিঠাপানির ছড়া, দরগার ছড়া, হাতিয়ার ঘোনা, লেঙ্গুর বিল, লম্বরি, জাহালিয়া পাড়া, তুলাতলি ও পল্লান পাড়াসহ বিভিন্ন এলাকা নিয়ে প্রস্তাবিত ‘টেকনাফ উপকূলীয় ইউনিয়ন পরিষদ’-এর সীমানা ও ভোটার সংখ্যা উল্লেখ করা হয়। এই নাম প্রস্তাবের খবর ছড়িয়ে পড়ার পর থেকেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সমালোচনার ঝড় বইছে।
বিষয়টি নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে তীব্র প্রতিবাদ ও নিন্দা জানাচ্ছেন স্থানীয়রা। অনেকে ছড়িয়ে পড়া এই পত্রটিকে ভুয়া বা উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলেও দাবি করছেন।
ইঞ্জিনিয়ার শওকত হোসেন তার ফেসবুক লিখেন, 'এভাবে মূর্খতার পরিচয় দিয়ে টেকনাফ সদর ইউনিয়নকে দুই ভাগে বিভক্ত করার প্রশ্নই আসে না। যদি বিভক্ত করতে চান টেকনাফ সদর উত্তর ইউনিয়ন ও টেকনাফ সদর দক্ষিণ ইউনিয়ন বিভক্ত করে জনগণের পাশে থাকেন এটাই কামনা করি।'
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ইমতিয়াজ আহমেদ ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, 'আমরা উপকূলের নই। ইউনিয়নের কাঠামোগত উন্নয়ন-অগ্রগতির লক্ষে এবং সরকারি সেবা সহজেই জনগণের দোরগোড়ায় পৌঁছে দিতে বিভক্ত করতে চাইলে আমরা সেটিকে স্বাগত জানাই। তবে বিভক্তিটা যেনো কোনো বিতর্কিত নামে না হয়। টেকনাফ দক্ষিণ সদর ইউনিয়ন এবং টেকনাফ উত্তর সদর ইউনিয়ন নামই অধিক যুক্তিযুক্ত। এতে দুই ইউনিয়নেরই স্বকীয়তা ও মান রক্ষা পাবে। কোনো বিতর্কিত নাম আমরা কখনো বরদাশত করবো না।
স্থানীয়দের দাবি, এই অঞ্চলের ভৌগোলিক ও সামাজিক বাস্তবতার সাথে ‘উপকূলীয়’ নামটি অসঙ্গতিপূর্ণ।
এ বিষয়ে টেকনাফ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) এস এম অনিক চৌধুরী টিটিএনকে বলেন, "এমন কোনো প্রস্তাব এখনো আমার কাছে আসেনি এবং এ ব্যাপারে আমার কিছু জানা নেই।"
উপদেষ্টা সম্পাদক : জহির আহমদ, টেকনাফ উপজেলা বীর মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার।
অফিস : আবু সিদ্দিক মার্কেট, টেকনাফ, কক্সবাজার।
মোবাইল : ০১৯০৭-৭৫৮২৫০, ০১৮৫১-৯২৯৬৫৮
Developed By : AzadWebIT.Comcopy off