1. akfilmmultimedia@gmail.com : admin2020 :
  2. teknafchannel71@gmail.com : teknaf7120 :
বুধবার, ১২ অগাস্ট ২০২৬, ০৮:৪৬ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
ব্যক্তিগত কারণ দেখিয়ে টেকনাফের ইউপি সদস্য, যুবদল নেতা ছিদ্দিক আহমদের পদত্যাগ  টেকনাফে ডাম্পারের ধাক্কায় দুই বাইক আরোহী যুবকের মৃত্যু টেকনাফ সদর বিভক্তি: ‘উপকূলীয় ইউনিয়ন’ নাম প্রস্তাব নিয়ে স্থানীয়দের তীব্র ক্ষোভ টেকনাফে উপজেলা প্রশাসন, বিএনপি, জামায়াতে ইসলামী, এনসিপির পৃথক জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস পালন  ২০ কোটি টাকা মূল্যের ইয়াবা সহ দুই মিয়ানমার নাগরিক র‍্যাব-১৫’র হাতে আটক  হোয়াইক্যং এ ইউনিয়ন ভাঙচুরের ৪ দিন পারহলেও কোন আইনি ব্যবস্থা নেয়নি – চেয়ারম্যান! ,ক্ষুব্ধ স্থানীয়রা  টেকনাফের মানুষের নিরাপত্তার জন্য ৩টি পুলিশ ফাঁড়ি হবে – এমপি শাহজাহান চৌধুরী, মাদক কারবারিদের দলিয় পদ না দেওয়ায় নির্দেশ অপহরণের ২৪ দিনের মাথায় ২জন অপহরণ কারিকে আটক করেছে র‍্যাব-১৫, স্থানীয়রা ধন্যবাদ জানিয়েছেন র‍্যাবকে হ্নীলা উত্তর যুবদলের সংগঠনের ১০নং ওয়ার্ডের কমিটি ঘোষণা সভাপতি জুহুর আলম সম্পাদক আবছার সাংগঠনিক আবছার-২  রঙ্গিখালী ফাজিল ডিগ্রী মাদ্রাসার সম্পদের লাগিয়ত বা চুক্তি মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষ ছাড়া অন্য কারো সাথে না করার নির্দেশ – সভাপতি জামাল উদ্দিন 

টেকনাফে এনজিও কর্মীরা হোমকোয়ারেন্টিন না মেনে চলাফেরা: আতঙ্কে স্থানীয়রা|Teknaf 71

  • আপডেট সময় : বুধবার, ৩ জুন, ২০২০
  • ১১১৮ বার পড়া হয়েছে

সাইদুল ইসলাম ফরহাদ::টেকনাফ

করোনা ভাইরাস সংক্রমণ রোধে সামাজিক ও নিরাপদ দূরত্ব বজায় রাখতে বিভিন্ন দিকনির্দেশনা প্রদান করেছে বাংলাদেশ সরকার। সাধারণ মানুষের অপ্রয়োজনে চলাফেরা রোধে কঠোর অবস্থানে রয়েছে বাংলাদেশ প্রশাসন ও বেসামরিক আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা। লকডাউন শীতল হলে বিভিন্ন জেলা থেকে এনজিও কর্মকত সদস্যরা আসতে থাকে। এরা কোন রকম হোমকোয়ারেন্টিনে না থেকে তারা ফিল্ডে কাজ করতে যাচ্ছে। তাদের মধ্যে নেই কোন রকম সচেনতা। তবে রোহিঙ্গা ক্যাম্পে চাকরি করা শত শত এনজিওকর্মীরা অবাধে চলাফেরা করে উনছিপ্রাংবিভিন্ন স্টেশনে বাজারে।

সম্প্রতি ব্যাপক হারে করোনা ভাইরাস ছড়িয়ে পড়া জেলা নারায়ণগঞ্জ ও ঢাকা সহ বাংলাদেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে অসংখ্য এনজিওকর্মী টেকনাফ উপজেলার রোহিঙ্গা ক্যাম সংলগ্ন এলাকায় হ্নীলা, হেয়াইক্যং,শাপলা পুর, লেদা, নয়া পাড়া, উনছিপ্রাং অবস্থান নিয়েছে বলে জানা যায়। এ ব্যাপারে প্রশাসনের কোন নজরদারি নেই বললে চলে। তাছাড়া এসব কর্মরত এনজিওকর্মীরা অধিকাংশ বাংলাদেশের বিভিন্ন জেলা থেকে আগত।

আগত এনজিও কর্মীরা হোমকোয়ারেন্টিনে না থেকে সকাল বিকাল টেকনাফ উপজেলা সব বাজারে ঘুরে বেড়েছে, উনছিপ্রাং বিভিন্ন স্টেশনে বাজারে ও তাদের উন্মুক্ত চলাফেরা লক্ষ্য করা যায়।

এছাড়াও রোহিঙ্গা ক্যাম্পে কর্মরত স্থানীয় চাকুরীজীবীরাও প্রতিদিন ক্যাম্পে আসা যাওয়া অব্যাহত রেখেছে। তারা তাদের নিজেদের এলাকায়ও অবাধে চলাফেরা করছে।মানছেনা হোম কোয়ারেন্টাইন। তারা প্রতিনিয়ত মেলামেশা,আড্ডা অব্যাহত রেখেছে। এর ফলে স্থানীয় সচেতন মহলের মাঝে উদ্বেগ প্রকাশ করতে দেখা গেছে।

সচেতন মহলের মতে,ক্যাম্পে চাকুরীরত এসব স্থানীয়রা প্রতিদিন বিভিন্ন মানুষের সাথে মেলামেশা করতেছে এবং বিভিন্ন এলাকা থেকে চাকরি কার্যক্রম সম্পন্ন করে গ্রামে এসে অবাধে চলাফেরা করছে।যার ফলে বরাবরের মতোই ভাইরাস সংক্রমণের আশঙ্কা থেকেই যাচ্ছে। তবে প্রতিনিয়ত ক্যাম্পে আসা যাওয়া করা এসব স্থানীয় চাকুরীজীবিদের হোম কোয়ারেন্টাইন নিশ্চিত করা না গেলে পরিস্থিতি ভয়াবহ আকার ধারণ করতে পারে বলে জানান স্থানীয়রা

নিউজটি শেয়ার করুন..

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর

copy off