
নাছির উদ্দীন রাজ, টেকনাফ।
কক্সবাজার টেকনাফের বাহার ছড়া ৯নং ওয়ার্ডের নোয়াখালী এলাকার ফার্ম পাড়াতে গহীন পাহাড়ের পাদদেশে অপহরণকারি ও মানব পাচার কারিদের আস্তানায় দুই বাহিনীর মধ্যে গুলাগুলির ঘটনা ঘটে।
তাদের ছোঁড়া গুলিতে সুমাইয়া আক্তার (১৮) নামের এক কিশোরী গুলিবিদ্ধ হয়। সে ওই এলাকার ছিদ্দিকের মেয়ে। পরে পরিবারের স্বজনেরা তাকে উদ্ধার করে টেকনাফ হাসপাতালে নিয়ে আসলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। শুক্রবার (১৬ জানুয়ারি) সন্ধায় উক্ত ঘটনা ঘটে।
নিহত কিশোরীর পিতা সিদ্দিক জানান, আমরা সন্ধ্যা বেলায় বাড়ির উঠানে বসছিলাম। আমার মেয়ে বাড়ির খাবার পানি সংগ্রহ করে বাহির হতে বাড়ির উঠান পর্যন্ত আসলে পাহাড়ের দিক থেকে গুলি এসে আমার মেয়ের গায়ে পড়ে। হঠাৎ আমার মেয়ে মাঠিতে ঢলে পড়ে। সাথে সাথে তাকে রক্তাক্ত অবস্থায় উদ্ধার করে টেকনাফ হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্য রত ডাক্তার তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
তিনি আরো জানান, রাতের আঁধারে কে বা কারা গুলি করেছে তা স্পষ্ট হয়নি। তবে পাহাড়ে অপহরণ কারিদের দুই গ্রুপের মধ্যে প্রচুর গুলাগুলি চলছিল। আমি সরকারে কাছে মেয়ে হত্যার বিচার চাই। সঠিক তদন্ত করে কারা পাহাড়ে আজ গুলাগুলি করেছে তা বের করতে হবে।
স্থানীয় অনেকেই জানান, অপহরণ কারি ও মানব পাচার কারি দুই গ্রুপের মধ্যে আধিপত্য বিস্তার কে কেন্দ্র করে গুলাগুলি হয়। যাতে ছোঁড়া গুলিতে সে নিহত হন।
টেকনাফ মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম জানান, নোয়াখালী পাড়া এক কিশোরী গুলিবিদ্ধ হয়ে হাসপাতালে এনেছে খবর পেয়ে সেখানে আমাদের পুলিশের টিম পাঠিয়েছি। হাসপাতালের চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। পরবর্তী আইনি কার্যক্রম প্রক্রিয়া ধীন। ###
সানি🖋️
Leave a Reply