
ডেস্ক নিউজ : কক্সবাজারের ৪ টি সংসদীয় আসনে ১৮ জন প্রার্থীকে প্রতীক বরাদ্দ দেয়া হয়েছে। এর মধ্যে ১৭ জন প্রার্থী রাজনৈতিক দলের মনোনীত প্রার্থী হওয়ায় দলীয় প্রতীক দেয়া হয়। অপর এক প্রার্থী আদালতের আদেশে প্রার্থীতা ফেরত পাওয়ার পর স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে প্রতীক বরাদ্দ পান।
বুধবার কক্সবাজার জেলা রিটানিং কর্মকর্তা বা জেলা প্রশাসক মো. আ. মান্নান আনুষ্ঠানিকভাবে এ প্রতীক বরাদ্দ দেন।
এর মধ্যে কক্সবাজার ১ চকরিয়া-পেকুয়া আসনে ৩ প্রার্থী প্রতীক পান। এর মধ্যে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমেদ ধানের শীষ, জামায়াতের প্রার্থী আব্দুল্লাহ আল ফারুখ দাঁড়িপাল্লা, ইসলামী আন্দোলনের প্রার্থী মো. ছরওয়ার আলম কুতুবী হাতপাখা প্রতীক পেয়েছেন।
কক্সবাজার ২ মহেশখালী-কুতুবদিয়া আসনে ৫ প্রার্থী প্রতীক পেয়েছেন। এর মধ্যে বিএনপির প্রার্থী আলমগীর মুহাম্মদ মাহফুজ উল্লাহ ফরিদ ধানের শীষ, জামায়াতের কেন্দ্রিয় কমিটির সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল এ এইচ এম হামিদুর রহমান আযাদ দাঁড়িপাল্লা, ইসলামী আন্দোলনের প্রার্থী জিয়াউল হক হাতপাখা, গণঅধিকার পরিষদের (জিওপি) প্রার্থী এস এম রোকনুজ্জামান খান ট্রাক, জাতীয় পার্টির প্রার্থী মো. মাহমুদুল করিম লাঙ্গল প্রতীক পেয়েছেন।
কক্সবাজার ৩ কক্সবাজার সদর, রামু-ঈদগাঁও আসনে ৬ প্রার্থীর মধ্যে বিএনপির প্রার্থী লুৎফুর রহমান কাজল ধানের শীষ, জামায়াতের প্রার্থী শহীদুল আলম বাহাদুর দাঁড়িপাল্লা, ইসলামী আন্দোলনের প্রার্থী আমিরুল ইসলাম হাতপাখা, লেবার পার্টির প্রার্থী জগদীশ বড়ুয়া আনারস, আমজনতা দলের প্রার্থী নুরুল আবছার প্রজাপতি প্রতীক পেয়েছেন।
এই আসনে মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাইকালে মনোনয়নপত্র দাখিল করা (কক্সবাজার ৩) স্বতন্ত্র প্রার্থী মো. ইলিয়াছ মিয়ার মনোনয়নপত্রটি বাতিল হয়। মঙ্গলবার ওই প্রার্থী তার সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে পোষ্টে জানান হাইকোর্ট তাকে প্রার্থী হিসেবে বৈধ করেছে। বুধবার সন্ধ্যায় এ সংক্রান্ত আদেশ কক্সবাজার জেলা রিটানিং কর্মকর্তার কাছে পৌঁছার পর তাকে ফুটবল প্রতীক বরাদ্দ দেয়া হয়।
কক্সবাজার ৪ উখিয়া-টেকনাফ আসনে ৪ প্রার্থীর মধ্যে বিএনপির প্রার্থী শাহজাহান চৌধুরী ধানের শীষ, জামায়াতের প্রার্থী নুর আহমদ আনোয়ারী দাঁড়ি পাল্লা, ইসলামী আন্দোলনের প্রার্থী নুরুল হক হাতপাখা, জাতীয়তাবাদি গণতন্ত্রিক আন্দোলন এনডিএম এর প্রার্থী সাইফুদ্দিন খালেদ সিংহ প্রতীক পেয়েছেন।
নির্বাচন কমিশন ঘোষিত সংশোধিত তফসিল মতে, ২২ জানুয়ারি প্রচারণা শুরু করবেন এসব প্রার্থীরা। প্রচারণা শেষ হবে ১০ ফেব্রুয়ারি। জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট হবে ১২ ফেব্রুয়ারি।##
Leave a Reply