1. akfilmmultimedia@gmail.com : admin2020 :
  2. teknafchannel71@gmail.com : teknaf7120 :
বুধবার, ১২ অগাস্ট ২০২৬, ১০:১৮ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
টেকনাফ সদর বিভক্তি: ‘উপকূলীয় ইউনিয়ন’ নাম প্রস্তাব নিয়ে স্থানীয়দের তীব্র ক্ষোভ টেকনাফে উপজেলা প্রশাসন, বিএনপি, জামায়াতে ইসলামী, এনসিপির পৃথক জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস পালন  ২০ কোটি টাকা মূল্যের ইয়াবা সহ দুই মিয়ানমার নাগরিক র‍্যাব-১৫’র হাতে আটক  হোয়াইক্যং এ ইউনিয়ন ভাঙচুরের ৪ দিন পারহলেও কোন আইনি ব্যবস্থা নেয়নি – চেয়ারম্যান! ,ক্ষুব্ধ স্থানীয়রা  টেকনাফের মানুষের নিরাপত্তার জন্য ৩টি পুলিশ ফাঁড়ি হবে – এমপি শাহজাহান চৌধুরী, মাদক কারবারিদের দলিয় পদ না দেওয়ায় নির্দেশ অপহরণের ২৪ দিনের মাথায় ২জন অপহরণ কারিকে আটক করেছে র‍্যাব-১৫, স্থানীয়রা ধন্যবাদ জানিয়েছেন র‍্যাবকে হ্নীলা উত্তর যুবদলের সংগঠনের ১০নং ওয়ার্ডের কমিটি ঘোষণা সভাপতি জুহুর আলম সম্পাদক আবছার সাংগঠনিক আবছার-২  রঙ্গিখালী ফাজিল ডিগ্রী মাদ্রাসার সম্পদের লাগিয়ত বা চুক্তি মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষ ছাড়া অন্য কারো সাথে না করার নির্দেশ – সভাপতি জামাল উদ্দিন  এবার ১ দোকানি অপহরণ ৫০ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি  টানা বৃষ্টিতে কর্ম হীন মানুষ ত্রাণ নিয়ে পানি বন্দি মানুষের পাশে এমপি শাহজাহান চৌধুরী

আইনশৃঙ্খলার অবনতির জন্য শুধু কি পুলিশ প্রশাসন দায়ী? মোঃ শহীদুল্লাহ |টেকনাফ ৭১

  • আপডেট সময় : বুধবার, ১৩ এপ্রিল, ২০২২
  • ৪৬৫ বার পড়া হয়েছে

আইনশৃঙ্খলার অবনতির জন্য শুধু কি পুলিশ প্রশাসন দায়ী?

জেলার রাজনৈতিক এবং সামাজিক নেতারা কি দায়ী নয় ? শহরের রাস্তা ঘাটের যে অবস্থা সৃষ্টি হয়েছে, তাতে পুলিশ মুভ করতে ঘন্টার পর ঘন্টা সময় চলে যায়। এর জন্যও কি পুলিশ দায়ী ? খবর নিয়ে দেখেন শহরের প্রতিটি ছিনতাইয়ের ঘটনায় স্থানীয়দের সাথে রোহিঙ্গারাও জড়িত রয়েছে। পিএম খালীতে মোর্শেদকে দিনদুপুরে শত শত মানুষের সামনে হত্যা করা হয়েছে। হত্যা কারীরা চিৎকার করে বলেছে উপরের নির্দেশেই মোর্শেদের উপর হামলা করছে। এর জন্যও কি পুলিশ দায়ী ? উপরের নির্দেশ দাতা কারা পুলিশ নিশ্চয় খুঁজে বের করবেন এটা আমরা দৃঢ় ভাবে বিশ্বাস করি।

আমাদের শহরে যারা ভাড়া বাসার মালিক রয়েছে তারা উচ্চ ভাড়া পেলে বাছবিচার না করে নিজেদের ভাড়া বাসা গুলো রোহিঙ্গাদের ভাড়া দিচ্ছে। এর জন্যেও কি পুলিশ দায়ী? পুলিশ প্রশাসনের স্পষ্ট নির্দেশনা রয়েছে কোন রোহিঙ্গাদের ভাড়া বাসা না দেওয়ার। আমরা কি সেই নির্দেশনা মেনে চলছি?

পুলিশ দিনরাত অক্লান্ত পরিশ্রম করে যাচ্ছে শহরের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নতি করতে। আমরা যারা সচেতন নাগরিক বলে নিজেদের দাবী করি আমরা কি আমাদের এলাকায় যে সমস্ত ছেলেরা কিশোরগ্যাং করে ঠুনকো ঘটনায় হত্যার মতো জঘন্য ঘটনা সংঘটিত করছে তাদের সম্পর্কে কোন তথ্য পুলিশকে দিচ্ছি? উল্টো নিজেরা নিজেদের স্বার্থ হাসিলের জন্য পুলিশের কাছে ভুল তথ্য প্রদান করে যাচ্ছি। তার জলন্ত প্রমাণ হল শহরের কলেজ ছাত্র রিদুয়ান হত্যা কাণ্ড। খবর নিয়ে দেখতে পারেন রিদুয়ানকে যে ছুরিকাঘাত করেছে সে হল সাদ্দাম নামের একটি ছেলে। রিদুয়ান হত্যা মামলায় সাদ্দামকে আসামী করা হয়নি সাদ্দাম রয়ে গেছে ধরাছোঁয়ার বাইরে। এই যদি হয় আমাদের চরিত্র তাহলে পুলিশকে দোষ দেবেন কোন মুখে ?

আমাদের শহরে আমরা যারা সমাজপতি হিসাবে দায়িত্বে রয়েছি আমরা কি আমাদের দায়িত্ব সঠিক ভাবে পালন করছি? না আমরা সকলে আমাদের নিজ নিজ দায়িত্ব সঠিক ভাবে পালন করছি না। কেউ ভয়ে বা কেউ নেতাদের বিরাগভাজন হবার আশঙ্কায় আমরা আমাদের নিজ দায়িত্ব পালন করছিনা বা করতে পারছিনা। এই মনমানসিকতা থেকে আমাদের বেরিয়ে আসতে হবে। আমার আপনার ছেলে কোথায় যায় কি করে নিজ নিজ অবস্থান থেকে খবর রাখতে হবে।

সন্ধ্যার পর কেন আমার আপনার স্কুল কলেজ পড়ুয়া সন্তানরা ঘরের বাইরে থাকবে ? সন্ধ্যার পরতো তাদের পড়ার টেবিলে থাকার কথা। আমরা যারা সন্তানের অভিভাবক হিসাবে নিজেদের দাবী করি আমরা কি আমাদের সন্তানদের গতিবিধি সঠিক ভাবে পর্যবেক্ষণ করি? সঠিক ভাবে করিনা বলেই আজ আমাদের অজান্তে আমাদের সন্তানরা কিশোরগ্যাং নামক বর্তমান সময়ের সামাজিক ক্যান্সারে জড়িয়ে পড়ছে। এর জন্যেও কি পুলিশ দায়ী।

যে কোন ঘটনা ঘটবার আগে আমাদের বোধোদয় হয়না। ঘটনা ঘটে গেলেই আমরা প্রতিবাদ করি তাও লোক দেখানোর স্বার্থে বা অনেকেই নিজ নিজ আত্মীয় স্বজনদের রক্ষা করতে এক প্রকার নাটক মঞ্চস্থ করি এটাই হল আমাদের বর্তমান অবস্থা। আসুন আমরা পুলিশকে দোষারোপ না করে ন্যায় নীতির ভিত্তিতে পুলিশকে তথ্য দিয়ে নিজ নিজ এলাকার শান্তি শৃঙ্খলা বজায় রাখতে সঠিক ভাবে নিজ নিজ দায়িত্ব পালন করি। তারপর দেখবেন আমাদের প্রাণের কক্সবাজারের অপরাধী ঘটনা সমূহ নিয়ন্ত্রণ হয়ে গেছে।

পরিশেষে বলবো আমাদের জনপ্রতিনিধি, সমাজপতি, রাজনৈতিক নেতা, যুবনেতা, ছাত্র নেতা যারা আছেন তাদের সকলকেই দলমত নির্বিশেষে একতার বন্ধনে আবদ্ধ হয়ে নিজ নিজ এলাকাকে কঠোর হস্তে নিয়ন্ত্রণ করা ছাড়া এ অবস্থা থেকে পরিত্রাণ পাওয়া যাবেনা। পাশাপাশি পুলিশ বাহিনীকে বিট পুলিশিং ব্যবস্থা চালু করে শহরের প্রত্যন্ত এলাকায় পালাক্রমে পুলিশ জনতার টহল জোরদার করতে হবে। যে সমস্ত রোহিঙ্গারা ক্যাম্প ছেড়ে শহরের বিভিন্ন ভাড়া বাসায় অবস্থান করে মাদক ব্যবসা থেকে শুরু করে যাবতীয় অপরাধী কর্মকাণ্ড চালিয়ে যাচ্ছে তাদের গ্রেফতার করে আইনের আওতায় আনতে হবে। যে সমস্ত রোহিঙ্গারা হোটেল রেস্তোরাঁয়, বাসাবাড়িতে, ঠিকাদারদের উন্নয়ন প্রকল্পে এবং টমটম ও রিকশা চালাচ্ছে জেলার ফিশিং ট্রলারে কাজ করছে তাদেরকে আটক করে রোহিঙ্গা ক্যাম্পে পাঠিয়ে দিতে হবে। রোহিঙ্গাদের ক্যাম্পে পাঠাতে কিংবা আইনের আওতায় আনতে না পারলে প্রাণের শহর কক্সবাজারকে মাদক অপরাধ ছিনতাই মুক্ত করা যাবেনা। সুতরাং শুধু শুধু পুলিশ কিংবা কাউকে দোষারোপ না করে আসুন আমরা আমাদের নিজ নিজ অবস্থান থেকে নিজেদের দায়িত্ব সঠিক ভাবে পালন করি।

লেখকঃ মোঃ শহীদুল্লাহ
সাধারণ সম্পাদক
বাংলাদেশ মফস্বল সাংবাদিক ফোরাম (বিএমএসএফ) কক্সবাজার জেলা ও সহসাংগঠনিক সম্পাদক কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী কমিটি।
তারিখঃ ১৩/০৪/২০২২ খ্রীঃ

নিউজটি শেয়ার করুন..

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর

copy off