1. akfilmmultimedia@gmail.com : admin2020 :
  2. teknafchannel71@gmail.com : teknaf7120 :
শুক্রবার, ২২ মে ২০২৬, ১২:২৮ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
মোঃ জুনায়েদ এর নামে হ্নীলা মৌলভীবাজারে মানব বন্ধনের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ এবং ব্যাখ্যা দিলেন – জুনায়েদ  শিক্ষা বিস্তারের হ্নীলা একাডেমির ভূমিকা প্রশংসনীয় বৃত্তিপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা ও বৃত্তি প্রদান অনুষ্টানে বক্তারা  রেমিটেন্স যোদ্ধা কে মানব পাচার কারি সাজিয়ে মিথ্যা সংবাদ ও অপপ্রচারের প্রতিবাদ এবং ব্যাখ্যা  আবছারের নামে বিভিন্ন ভাবে মিথ্যা অপপ্রচারের তীব্র নিন্দা,  প্রতিবাদ ও ব্যাখ্যা ৫ বছরের সশ্রম কারাদণ্ডপ্রাপ্ত পলাতক আসামি ফরিদুল আলম র‍্যাবের হাতে গ্রে’প্তা’র  হ্নীলা ইউনিয়ন পরিষদে ঈদ উপলক্ষে ভিজিএফ চাল বিতরণ উদ্বোধন করেছেন এমপি শাহজাহান চৌধুরী হ্নীলায় কোস্ট ফাউন্ডেশন এর উদ্যোগে ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত  মা’দ’ক কারবারি ও অ’স্ত্র ধারীদে অ’স্ত্র জমাদিতে বলেছেন ৫ম বার নির্বাচীত এমপি শাহজাহান চৌধুরী  সাবেক এমপি আবদুর রহমান বদির জামিন স্থগিত ​ঢাবিতে ‘ডুসাট’-এর ইফতার ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত

সীমান্তের “ইয়াবা রাজা” একরামের সহযোগী মাদক ডন কাশেম গ্রেপ্তার

  • আপডেট সময় : শনিবার, ৭ অক্টোবর, ২০২৩
  • ৮৩০ বার পড়া হয়েছে

কক্সবাজার প্রতিনিধি।

কক্সবাজার টেকনাফের শীর্ষ মাদক কারবারি ও আত্মসমর্পণকারী “ইয়াবা রাজা” একরামের সহযোগী মাদক ডন আবুল কাশেম অবশেষে পুলিশের হাতে গ্রেপ্তার হয়েছে। 

শুক্রবার (৬ অক্টোবর) দিবাগত রাত আড়াইটার দিকে নিজের ঘর থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।

গ্রেপ্তার আসামি উপজেলার টেকনাফ সদর ইউপির নাজির পাড়া এলাকার ফরিদ মিয়ার ছেলে।

রাজধানী ঢাকার উত্তরা পূর্ব থানার একটি মাদক মামলার ওয়ারেন্টমূলে তাকে গ্রেপ্তার হয়েছে বলে নিশ্চিত করেছেন অভিযানের নেতৃত্বদানকারী টেকনাফ মডেল থানার এসআই ফারুক।

জানা গেছে, নাজির পাড়ার শীর্ষ ইয়াবা সম্রাট আবুল কাশেম ঢাকায় সহযোগী’সহ ইয়াবা বিক্রির সময় প্রশাসনের উপস্থিতি টের পেয়ে পালিয়ে গেলেও তার সহযোগী রুবেল নামে একজনকে গ্রেপ্তার করা হয় ।

পরে ধৃত আসামি রুবেলের স্বীকারোক্তি মতে মাদকডন কাশেম পালিয়ে যায় এবং ধৃত ব্যক্তির হেফাজতে ইয়াবা রয়েছে বলে জানায়। পরে তার হেফাজত থেকে ৪ হাজার ৩শত চল্লিশ পিস ইয়াবা উদ্ধার পূর্বক আবুল কাশেমকে পলাতক আসামি করে নিয়মিত মামলার মাধ্যমে আদালতে সোপর্দ করে পুলিশ। পরে আদালত সেই মাদক মামলায় পরোয়ানা জারি করেন।

অভিযোগ রয়েছে,আবুল কাশেম টেকনাফের উপরের বাজারে কাপড়ের দোকানের আড়ালে দীর্ঘদিন ধরে ইয়াবার কারবার চালিয়ে গেছে। প্রশাসন ও সাধারণ মানুষের চোখ ফাঁকি দিতে দোকানটিই ছিল তার কৌশলি মাধ্যম। তবে টেকনাফের “ইয়াবা রাজা” একরামের সহযোগী হওয়ায় অনেকে কাশেমের ইয়াবাকান্ডের বিষয়টি জানলেও একরামের ভয়ে মুখ খোলার সাহস করেনি। তবে সেই  মাদক কারবারি কাশেমের শেষ রক্ষা হয়নি।

মামলার পর থেকে দীর্ঘদিন পলাতক থাকলেও অবশেষে আদালতের পরোয়ানামূলে টেকনাফ মডেল থানা পুলিশ আবুল কাশেমকে গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হয় এবং পরবর্তী আইনানুগ কার্যক্রম শেষে আদালতে হস্তান্তর করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন পুলিশ।

নিউজটি শেয়ার করুন..

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর
error: Content is protected !!