1. akfilmmultimedia@gmail.com : admin2020 :
  2. teknafchannel71@gmail.com : teknaf7120 :
বুধবার, ০৮ জুলাই ২০২৬, ০২:০১ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
কোটি টাকার ইয়াবা সহ র‍্যাব-১৫’র হাতে আটক নারী কারবারি  টেকনাফে চলাচলের রাস্তা বন্ধের প্র’তি’বা’দ করায় কলেজ ছাত্রকে হ’ত্যা!  সীমান্ত নিরাপত্তা, অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার, অপহরণ ও মাদক বন্ধে কঠোর সিদ্ধান্ত হয়েছে – এমপি শাহজাহান চৌধুরী, আইন শৃঙ্খলা কমিটির বিশেষ সভা শেষে গণমাধ্যম কে।  হোয়াইক্যং ঝিমংখালী হাসান বিন আলী (রাঃ) জামে মসজিদ ও হেফজখানার নতুন পরিচালনা কমিটি ঘোষণা  মিয়ানমারের অভ্যান্তরে ভয়াবহ বিস্ফোরণের বিকটশব্দে কাঁপছে টেকনাফ সীমান্ত আতস্কে স্থানীয়রা  সাজা থেকে বাঁচতে পলাতক থেকেও লাভ হয়নি অবশেষে র‍্যাব-১৫’র জালে!  র‍্যাব ১৫ ও পুলিশের যৌথ অভিযানে ৪জন তরুণ টেকনাফের গহীন পাহাড় থেকে উদ্ধার  হ্নীলা উলুচামরি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের এসএমসি কমিটি ঘোষণা  রংগীখালী ফাজিল ডিগ্রী মাদ্রাসায় আলিম পরিক্ষার্থীদের দোয়া অনুষ্ঠান সম্পন্ন  হ্নীলা উত্তর শাখা সাংগঠনিক ৫নং ওয়ার্ডের আহবায়ক কমিটির কৃতজ্ঞতা প্রকাশ 

সীমান্তের “ইয়াবা রাজা” একরামের সহযোগী মাদক ডন কাশেম গ্রেপ্তার

  • আপডেট সময় : শনিবার, ৭ অক্টোবর, ২০২৩
  • ৮৩৫ বার পড়া হয়েছে

কক্সবাজার প্রতিনিধি।

কক্সবাজার টেকনাফের শীর্ষ মাদক কারবারি ও আত্মসমর্পণকারী “ইয়াবা রাজা” একরামের সহযোগী মাদক ডন আবুল কাশেম অবশেষে পুলিশের হাতে গ্রেপ্তার হয়েছে। 

শুক্রবার (৬ অক্টোবর) দিবাগত রাত আড়াইটার দিকে নিজের ঘর থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।

গ্রেপ্তার আসামি উপজেলার টেকনাফ সদর ইউপির নাজির পাড়া এলাকার ফরিদ মিয়ার ছেলে।

রাজধানী ঢাকার উত্তরা পূর্ব থানার একটি মাদক মামলার ওয়ারেন্টমূলে তাকে গ্রেপ্তার হয়েছে বলে নিশ্চিত করেছেন অভিযানের নেতৃত্বদানকারী টেকনাফ মডেল থানার এসআই ফারুক।

জানা গেছে, নাজির পাড়ার শীর্ষ ইয়াবা সম্রাট আবুল কাশেম ঢাকায় সহযোগী’সহ ইয়াবা বিক্রির সময় প্রশাসনের উপস্থিতি টের পেয়ে পালিয়ে গেলেও তার সহযোগী রুবেল নামে একজনকে গ্রেপ্তার করা হয় ।

পরে ধৃত আসামি রুবেলের স্বীকারোক্তি মতে মাদকডন কাশেম পালিয়ে যায় এবং ধৃত ব্যক্তির হেফাজতে ইয়াবা রয়েছে বলে জানায়। পরে তার হেফাজত থেকে ৪ হাজার ৩শত চল্লিশ পিস ইয়াবা উদ্ধার পূর্বক আবুল কাশেমকে পলাতক আসামি করে নিয়মিত মামলার মাধ্যমে আদালতে সোপর্দ করে পুলিশ। পরে আদালত সেই মাদক মামলায় পরোয়ানা জারি করেন।

অভিযোগ রয়েছে,আবুল কাশেম টেকনাফের উপরের বাজারে কাপড়ের দোকানের আড়ালে দীর্ঘদিন ধরে ইয়াবার কারবার চালিয়ে গেছে। প্রশাসন ও সাধারণ মানুষের চোখ ফাঁকি দিতে দোকানটিই ছিল তার কৌশলি মাধ্যম। তবে টেকনাফের “ইয়াবা রাজা” একরামের সহযোগী হওয়ায় অনেকে কাশেমের ইয়াবাকান্ডের বিষয়টি জানলেও একরামের ভয়ে মুখ খোলার সাহস করেনি। তবে সেই  মাদক কারবারি কাশেমের শেষ রক্ষা হয়নি।

মামলার পর থেকে দীর্ঘদিন পলাতক থাকলেও অবশেষে আদালতের পরোয়ানামূলে টেকনাফ মডেল থানা পুলিশ আবুল কাশেমকে গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হয় এবং পরবর্তী আইনানুগ কার্যক্রম শেষে আদালতে হস্তান্তর করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন পুলিশ।

নিউজটি শেয়ার করুন..

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর
error: Content is protected !!