1. akfilmmultimedia@gmail.com : admin2020 :
  2. teknafchannel71@gmail.com : teknaf7120 :
বৃহস্পতিবার, ২১ মে ২০২৬, ১০:৪৪ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
মোঃ জুনায়েদ এর নামে হ্নীলা মৌলভীবাজারে মানব বন্ধনের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ এবং ব্যাখ্যা দিলেন – জুনায়েদ  শিক্ষা বিস্তারের হ্নীলা একাডেমির ভূমিকা প্রশংসনীয় বৃত্তিপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা ও বৃত্তি প্রদান অনুষ্টানে বক্তারা  রেমিটেন্স যোদ্ধা কে মানব পাচার কারি সাজিয়ে মিথ্যা সংবাদ ও অপপ্রচারের প্রতিবাদ এবং ব্যাখ্যা  আবছারের নামে বিভিন্ন ভাবে মিথ্যা অপপ্রচারের তীব্র নিন্দা,  প্রতিবাদ ও ব্যাখ্যা ৫ বছরের সশ্রম কারাদণ্ডপ্রাপ্ত পলাতক আসামি ফরিদুল আলম র‍্যাবের হাতে গ্রে’প্তা’র  হ্নীলা ইউনিয়ন পরিষদে ঈদ উপলক্ষে ভিজিএফ চাল বিতরণ উদ্বোধন করেছেন এমপি শাহজাহান চৌধুরী হ্নীলায় কোস্ট ফাউন্ডেশন এর উদ্যোগে ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত  মা’দ’ক কারবারি ও অ’স্ত্র ধারীদে অ’স্ত্র জমাদিতে বলেছেন ৫ম বার নির্বাচীত এমপি শাহজাহান চৌধুরী  সাবেক এমপি আবদুর রহমান বদির জামিন স্থগিত ​ঢাবিতে ‘ডুসাট’-এর ইফতার ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত

নোবেলজয়ী অর্থনীতিবিদ ড. মুহাম্মদ ইউনূসের জন্মদিন আজ

  • আপডেট সময় : শনিবার, ২৮ জুন, ২০২৫
  • ১২৫ বার পড়া হয়েছে

ডেস্ক নিউজ 

 

বাংলাদেশের নোবেলজয়ী অর্থনীতিবিদ অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস শুধু একজন ব্যাংকার নন-তিনি দারিদ্র্য বিমোচনের দর্শন ও বিশ্বমডেল নির্মাতা। আজ ২৮ জুন তাঁর ৮৫ তম জন্মদিন। এ দিনে তাঁকে স্মরণ করা মানে শুধু এক ব্যক্তিকে নয়, বরং এক আন্দোলনকে সম্মান জানানো। ক্ষুদ্রঋণ ধারণাকে বিশ্ব দরবারে পৌঁছে দিয়ে তিনি বাংলাদেশকে নতুনভাবে চিনিয়েছেন।

 

ড. ইউনূসের জন্ম ১৯৪০ সালে চট্টগ্রামের হাটহাজারীর বাথুয়া গ্রামে। শৈশব থেকেই মেধা, সাহিত্য, নাটক আর স্কাউটিংয়ে ছিলেন উজ্জ্বল। চট্টগ্রাম কলেজিয়েট স্কুল থেকে মেট্রিক পরীক্ষায় সাফল্য, এরপর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতিতে বিএ ও এমএ শেষ করে পূর্ণ বৃত্তিতে পাড়ি জমান যুক্তরাষ্ট্রে। ১৯৬৯ সালে ভ্যান্ডারবিল্ট বিশ্ববিদ্যালয় থেকে অর্থনীতিতে পিএইচডি অর্জন করেন।

 

শিক্ষক হিসেবে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে যোগ দিয়েই সমাজের বাস্তবতা তাকে নাড়া দেয়। ১৯৭৪ সালের দুর্ভিক্ষে সরাসরি গ্রামবাসীর দুঃখ-কষ্ট দেখেই শুরু হয় তাঁর ক্ষুদ্রঋণ ভাবনা। তিনি বুঝলেন, দরিদ্রদের জন্য ছোট ঋণ হতে পারে বড় পরিবর্তনের হাতিয়ার। ১৯৮৬ সালে প্রতিষ্ঠা করেন গ্রামীণ ব্যাংক-যা গরিব মানুষের জন্য আনুষ্ঠানিক ব্যাংকিং ব্যবস্থা নিয়ে আসে। “সংহতি দল” পদ্ধতিতে একে অপরের জামিনদার হয়ে ঋণ শোধের সামাজিক বন্ধন তৈরি করে, যা বিশ্বব্যাপী অনুকরণীয় মডেল হয়ে ওঠে।

 

ড. ইউনূস ও গ্রামীণ ব্যাংক ২০০৬ সালে যৌথভাবে নোবেল শান্তি পুরস্কার লাভ করে—বাংলাদেশের ইতিহাসে প্রথম নোবেল জয়। তিনি প্রমাণ করেছেন দারিদ্র্য কোনো নিয়তি নয়, বরং উদ্যোগ, উদ্ভাবন আর সমবায়ে জয় করা সম্ভব।

 

জীবনে পেয়েছেন ৪৮টির বেশি বিশ্ববিদ্যালয়ের সম্মানসূচক ডক্টরেট, যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্সিয়াল মেডেল অফ ফ্রিডম ও কংগ্রেশনাল গোল্ড মেডালসহ বিশ্বের নানা সম্মাননা।

আজ তাঁর জন্মদিনে আরও একটি গুরুত্বপূর্ণ পরিচয়-তিনি বর্তমান গঠিতব্য অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। অর্থনীতি, উন্নয়ন এবং সামাজিক ন্যায়বিচার নিয়ে তাঁর অভিজ্ঞতা ও দৃষ্টিভঙ্গি জাতির জন্য নতুন এক দিকনির্দেশনা হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

 

ড. মুহাম্মদ ইউনূস কেবল একজন নোবেল বিজয়ী নন-তিনি দারিদ্র্যবিমোচনের প্রতিশ্রুতি, সামাজিক ব্যবসার রূপকার, বাংলাদেশের গর্ব। আজ তাঁর জন্মদিনে তাঁকে জানাই বিনম্র শুভেচ্ছা ও শ্রদ্ধা।

নিউজটি শেয়ার করুন..

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর
error: Content is protected !!