1. akfilmmultimedia@gmail.com : admin2020 :
  2. teknafchannel71@gmail.com : teknaf7120 :
শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর ২০২৬, ০৭:৪৪ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
বিএনপির রাজনীতি করতে গিয়ে সরকারি চাকরি বঞ্চিত নুরুল আমিন আশিক, এবার যুবদলের নেতৃত্বে আসতে চান উখিয়ায় শ্মশানের জমি নিয়ে ৪০ বছরের বিরোধ: একটি  প্রভাবশালী চক্র অসহায় মুসলিম পরিবারকে হয়রানির অভিযোগ টেকনাফের কাস্টমস কর্মকর্তা নাম ভাঙিয়ে চাঁদা দাবি’র সংবাদটি মিথ্যা, উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ও বানোয়াট- জসিম উদ্দিনের তীব্র প্রতিবাদ  সেন্টমার্টিনে পর্যটক যাতায়াত ও জাহাজ চলাচল নিয়ে সচিবালয়ে আন্তঃমন্ত্রণালয় সভা, সুখবর আসছে-এমপি শাহজাহান চৌধুরী সত্য প্রতিবাদ করতে গিয়ে সংবাদে অপপ্রচার ও হয়রানি, প্রতিবাদ জানালেন স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা রাশেদুল ইসলাম সেন্টমার্টিন রোগী এলে ফোন করে খুঁজতে হয় নার্সকে, হাসপাতালের নার্স কোয়ার্টারে যুবকের যাতায়াত নিয়ে চাঞ্চল্য তথ্য মানহীন ওষুধ লিখে রোগীকে জিম্মি! টেকনাফে ভয়ঙ্কর স্বাস্থ্য প্রতারণার ফাঁদ: প্রেসক্রিপশন বাণিজ্যের নেপথ্যে ফারিয়া’র মিরাস টেকনাফ পৌর শহরের ফুটপাত দখলমুক্ত করতে ইউএনও’র অভিযান টেকনাফের রঙ্গিখালীতে শহীদের কবর মুছে দেওয়ার অভিযোগে পরিবারের সংবাদ সম্মেলন সেন্ট মার্টিনে ৭০০ টাকায় খৎনা, দুই দিন পর ৫০ শিশুর রক্তক্ষরণ : ইউএনওর গাফিলতির অভিযোগ

টেকনাফে ইয়াবা বানিজ্য চালিয়ে যাচ্ছে ফরিদ আলম!

  • আপডেট সময় : রবিবার, ৭ জুন, ২০২০
  • ৬৭১ বার পড়া হয়েছে

নিজস্ব প্রতিনিধিঃ টেকনাফ সদরের নাজিরপাড়ার কুরুববন এলাকার কুখ্যাত ইয়াবা মাদক চোরাকারবারী ফরিদ আলমের ইয়াবা বানিজ্য দেদারসে চালিয়ে যাচ্ছে। ফরিদ একসময় ভুট্টো বাহিনীর সদস্য হয়ে কাজ করতেন বলে আমরা জানতে পারি। ফরিদ ঢাকা, নারায়ণগঞ্জসহ আশেপাশের এলাকায় ইয়াবার যোগান দিয়ে থাকে। ক্রাইম ডিসকভারির অনুসন্ধানী টিমকে এলাকাবাসী বলেন যে, ফরিদের সহযোগী হিসেবে কাজ করে নওগাঁ জেলার মাসুদ রানা ওরফে ইয়াবা রানা এবং যশোরের শহিদুল ওরফে মোল্লা শহিদুল। রানা রোহিঙ্গা মেয়েকে বিয়ে করে টেকনাফ শহরে বাসা ভাড়া নিয়ে বসবাস করে এবং ঢাকার ইয়াবা কারবারীদের সাথে যোগাযোগ করে আর্থিক লেনদেন সম্পাদন করে।

আরও জানা যায় যে, রানা অভিযান শুরুর পর থেকেই ঢাকায় অবস্থান করছে এবং ইয়াবা বানিজ্য নিয়ন্ত্রণ করে আসছে। এই ফরিদ আলম ইয়াবার কারবার করে অল্পদিনেই গড়ে তুলেছেন সম্পদের পাহাড়। সে প্রশাসনের চোখ ফাঁকি দিতে কখনও কুতুপালং রোহিঙ্গা ক্যাম্পে অবস্থান করেন আবার কখনও বা সাবরাং এর মন্ডলপাড়ায় অবস্থান নেয় এবং সেখানে বসেই তার ইয়াবার চালান ঢাকায় পাঠানো হয়। আমরা অনুসন্ধানপূর্বক আরও জানতে পারি যে, ফরিদ আলমের বিরুদ্ধে টেকনাফ থানায় একাধিক মাদক মামলাও রয়েছে।

এলাকাবাসীর আশংকা স্থানীয় সচেতন মহলের দাবি তাকে যদি আইনের আওতায় না আনতে পারে তাহলে সে একদিন ভূট্টুর মতো হয়ে উঠবে। তাই এলাকাবাসী প্রশাসনের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেন।

 

 

 

 

 

সূত্র ক্রাইম ডিসকভারির

নিউজটি শেয়ার করুন..

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর

copy off