1. akfilmmultimedia@gmail.com : admin2020 :
  2. teknafchannel71@gmail.com : teknaf7120 :
শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৬, ০৯:১৬ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
উখিয়ায় শ্মশানের জমি নিয়ে ৪০ বছরের বিরোধ: একটি  প্রভাবশালী চক্র অসহায় মুসলিম পরিবারকে হয়রানির অভিযোগ টেকনাফের কাস্টমস কর্মকর্তা নাম ভাঙিয়ে চাঁদা দাবি’র সংবাদটি মিথ্যা, উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ও বানোয়াট- জসিম উদ্দিনের তীব্র প্রতিবাদ  সেন্টমার্টিনে পর্যটক যাতায়াত ও জাহাজ চলাচল নিয়ে সচিবালয়ে আন্তঃমন্ত্রণালয় সভা, সুখবর আসছে-এমপি শাহজাহান চৌধুরী সত্য প্রতিবাদ করতে গিয়ে সংবাদে অপপ্রচার ও হয়রানি, প্রতিবাদ জানালেন স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা রাশেদুল ইসলাম সেন্টমার্টিন রোগী এলে ফোন করে খুঁজতে হয় নার্সকে, হাসপাতালের নার্স কোয়ার্টারে যুবকের যাতায়াত নিয়ে চাঞ্চল্য তথ্য মানহীন ওষুধ লিখে রোগীকে জিম্মি! টেকনাফে ভয়ঙ্কর স্বাস্থ্য প্রতারণার ফাঁদ: প্রেসক্রিপশন বাণিজ্যের নেপথ্যে ফারিয়া’র মিরাস টেকনাফ পৌর শহরের ফুটপাত দখলমুক্ত করতে ইউএনও’র অভিযান টেকনাফের রঙ্গিখালীতে শহীদের কবর মুছে দেওয়ার অভিযোগে পরিবারের সংবাদ সম্মেলন সেন্ট মার্টিনে ৭০০ টাকায় খৎনা, দুই দিন পর ৫০ শিশুর রক্তক্ষরণ : ইউএনওর গাফিলতির অভিযোগ তরুণদের মাঠে রাখতে পারলে মাদক-অপরাধ থেকে দূরে রাখা যাবে: হ্নীলায় জেএসিএফ ট্রফির উদ্বোধনে বক্তারা 

টেকনাফে রাতে পাহাড়কাটার সময় মাটি চাপা পড়ে রোহিঙ্গা নিহত

  • আপডেট সময় : সোমবার, ১২ এপ্রিল, ২০২১
  • ৪২১ বার পড়া হয়েছে

টেকনাফ একাত্তর ডেস্ক

টেকনাফ প্রতিনিধি::

টেকনাফ হোয়াইক্যংয়ের ঝিমংখালীতে পাহাড়কাটার সময় মাটি চাপা পড়ে এক রোহিঙ্গা নিহত হয়েছে।

নিহত রোহিঙ্গা থাইংখালী হাকিমপাড়া ক্যাম্প-১৪, ব্লক-৭ এর বাসিন্দা। ১১ এপ্রিল দিবাগত রাত সাড়ে ১০ টায় কয়েকজন রোহিঙ্গা শ্রমিক নিয়ে ঝিমংখালী বিটের নিকটে ২টি ড্রামট্রাক(ডাম্পার) পাহাড়কাটার সময় এ ঘটনা ঘটে। এলাকাবাসী পুলিশ কে খবর দিলে হোয়াইক্যং ফাঁড়ি পুলিশের একটি দল ঘটনাস্থলে ছুটে আসে।

পুলিশ ছুরতহাল রিপোর্ট শেষে মর্গে পাঠানোর পক্রিয়া চালাচ্ছে বলে জানান হোয়াইক্যং পুলিশ ফাড়ির দায়িত্বরত কর্মকর্তা এসআই মুজিবর। জানা যায়, ঝিমংখালী-নয়াপাড়ার যথাক্রমে হেলাল ও গফুরের মালিকানাধী ২টি ডাম্পার রাতে স্থানিয় বিট অফিস কে ম্যানেজ করে বিরামহীনভাবে পাহাড় ও টিলা কেটে আসছিল। পরিবেশ সংরক্ষণ আইন-২০১০ অনুযায়ী, পাহাড় কাটা আমলযোগ্য অপরাধ। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের পূর্ব অনুমতি ছাড়া কোনও সরকারি, আধা-সরকারি, সায়ত্বশাসিত প্রতিষ্ঠান অথবা ব্যক্তি পাহাড় কাটতে বা নিশ্চিহ্ন করতে পারবে না। যদি কেউ এটি অমান্য করে, তবে তাকে অথবা ওই প্রতিষ্ঠানকে দুই বছর কারাদণ্ড অথবা ২ লাখ টাকা জরিমানা অথবা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত করা হবে। ফের একই অপরাধ করলে, ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানকে ১০ বছর কারাদণ্ড অথবা ১০ লাখ জরিমানা গুণতে হবে।
অন্যদিকে ইমারত নির্মাণ বিধিমালা-১৯৯৬ তে বলা হয়েছে, পাহাড় কাটা অথবা মোচনের জন্য পরিবেশ ছাড়পত্র অবশ্যই নিতে হবে। ২০০২ সালের ৯ মার্চ পরিবেশ অধিদফতর এই সম্পর্কিত একটি প্রজ্ঞাপন জারি করে। যেখানে বলা হয়েছে পাহাড় কর্তন ও মোচনের ক্ষেত্রে ইমারত নির্মাণ বিধিমালা -১৯৫২ এবং ১৯৯৬ অবশ্যই অনুসরণ করতে হবে।
আইনে পাহাড় কর্তন ও মোচনের জন্য কঠোর এই নির্দেশনা থাকলেও কক্সবাজার এলাকায় এটি মানা হচ্ছে না। স্থানীয়রা অভিযোগ,একটি অসাধুচক্র আইনের প্রতি বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে অবাধে কাটছে পাহাড়।
পাহাড় কাটা বন্ধে অব্যাহত নজরদারি, কঠোর এনফোর্সমেন্ট অভিযান, পরিবেশ আইনের শতভাগ প্রয়োগ অপরিহার্য বলে মত দিয়েছে স্বচেতন মহল।

নিউজটি শেয়ার করুন..

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর

copy off