1. akfilmmultimedia@gmail.com : admin2020 :
  2. teknafchannel71@gmail.com : teknaf7120 :
শুক্রবার, ২২ মে ২০২৬, ১২:২৮ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
মোঃ জুনায়েদ এর নামে হ্নীলা মৌলভীবাজারে মানব বন্ধনের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ এবং ব্যাখ্যা দিলেন – জুনায়েদ  শিক্ষা বিস্তারের হ্নীলা একাডেমির ভূমিকা প্রশংসনীয় বৃত্তিপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা ও বৃত্তি প্রদান অনুষ্টানে বক্তারা  রেমিটেন্স যোদ্ধা কে মানব পাচার কারি সাজিয়ে মিথ্যা সংবাদ ও অপপ্রচারের প্রতিবাদ এবং ব্যাখ্যা  আবছারের নামে বিভিন্ন ভাবে মিথ্যা অপপ্রচারের তীব্র নিন্দা,  প্রতিবাদ ও ব্যাখ্যা ৫ বছরের সশ্রম কারাদণ্ডপ্রাপ্ত পলাতক আসামি ফরিদুল আলম র‍্যাবের হাতে গ্রে’প্তা’র  হ্নীলা ইউনিয়ন পরিষদে ঈদ উপলক্ষে ভিজিএফ চাল বিতরণ উদ্বোধন করেছেন এমপি শাহজাহান চৌধুরী হ্নীলায় কোস্ট ফাউন্ডেশন এর উদ্যোগে ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত  মা’দ’ক কারবারি ও অ’স্ত্র ধারীদে অ’স্ত্র জমাদিতে বলেছেন ৫ম বার নির্বাচীত এমপি শাহজাহান চৌধুরী  সাবেক এমপি আবদুর রহমান বদির জামিন স্থগিত ​ঢাবিতে ‘ডুসাট’-এর ইফতার ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত

গ্যাস বিস্ফোরণে একে একে মারা গেলেন পরিবারের ৬ সদস্য

  • আপডেট সময় : শনিবার, ২৭ এপ্রিল, ২০২৪
  • ১৬৬ বার পড়া হয়েছে

অনলাইন ডেস্ক:

ঢাকা মিরপুরের ভাষানটেকের ১৩ নম্বর কালভার্ট রোড এলাকায় মশার কয়েল ধরাতে গিয়ে সিলিন্ডারের গ্যাস লিকেজ থেকে আগুনে দগ্ধ কিশোরী লিজা আক্তার (১৭) মারা গেছে। এ ঘটনায় দগ্ধ হয়ে চিকিৎধানীন একই পরিবারের ছয়জনের আর কেউ বেঁচে থাকল না।

আজ শনিবার সন্ধ্যা ৬টার দিকে শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যায় লিজা।

এ তথ্য নিশ্চিত করেন বার্ন ইনস্টিটিউটের আবাসিক চিকিৎসক মো. তরিকুল ইসলাম। তিনি জানান, লিজার শরীরের ৩০ শতাংশ দগ্ধ হয়েছিল।

আগুনের ঘটনায় গত ১৩ এপ্রিল লিজার দাদি মোহরুন্নেছা (৬৫), ১৫ এপ্রিল রাতে মা সূর্য বানু (৩০), ১৬ এপ্রিল সকালে বাবা লিটন চৌধুরী (৫২), ১৯ এপ্রিল সকালে ছোট বোন লামিয়া (৭) ও ২৪ এপ্রিল বুধবার দুপুরের ভাই সুজন (৯) মারা যান। এই পরিবারটির গ্রামের বাড়ি ময়মনসিংহের নান্দাইল উপজেলার। তারা থাকতেন মিরপুরের ভাষানটেকে।

উল্লেখ্য, গত ১২ এপ্রিল ভাষানটেকে মশার কয়েল ধরাতে গিয়ে সিলিন্ডারের লিকেজ থেকে জমে থাকা গ্যাসে আগুন ধরে একই পরিবারের ছয়জন দগ্ধ হন। ভোরের দিকে দ্বিতীয় তলার বাড়ির নিচ তলায় এ ঘটনা ঘটে। দগ্ধ অবস্থায় তাদের উদ্ধার করে ওই দিন সকালেই শেখ হাসিনার জাতীয় বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে ভর্তি করা হয়। সেখানেই একে একে পরিবারের সবাই মারা গেলেন। ###

নিউজটি শেয়ার করুন..

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর
error: Content is protected !!