• ফারুকুর রাহমান টেকনাফ।
ওয়াব্রাং ইয়ং বয়েজ স্পোর্টিং ক্লাবের আয়োজনে সম্প্রতি হ্নীলা ইউনিয়নে ঐতিহাসিক ফুটবল ম্যাচ অনুষ্ঠিত হয়েছে। স্থানীয় সাবেক ফুটবলার, শিক্ষার্থী ও সম্মানিত নাগরিকদের অংশগ্রহণে এই আয়োজন এলাকায় নতুন করে সম্প্রীতির বন্ধন গড়ে তোলে।
একদিকে হ্নীলার সোনালী অতীত ফুটবল টিম, যেখানে খেলেছেন এলাকার প্রবীণ ফুটবলার থেকে শুরু করে বর্তমান প্রজন্মের সম্মানিত ব্যক্তিবর্গ। অন্যদিকে, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়সহ বিভিন্ন পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজের শিক্ষার্থীদের নিয়ে গঠিত টিম। এই ম্যাচের মূল উদ্দেশ্য ছিল শিক্ষার্থী ও স্থানীয়দের মধ্যে ভ্রাতৃত্বপূর্ণ সম্পর্ক সুদৃঢ় করা।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে হ্নীলা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. আব্দুস সালাম বলেন, “আমার জন্মভূমি ওয়াব্রাং থেকে আজ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, মেডিকেল কলেজ, জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়সহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের অসংখ্য মেধাবী শিক্ষার্থী গড়ে উঠেছে। তাদের সবাইকে আজ এক মাঠে দেখে আমি গর্বিত।”
এলাকার প্রবীণরা বলেন, “৫৪ বছর বয়সী ফুটবলারদের মাঠে নামতে দেখেছি, সন্তানরা আবার এক হয়েছে। এমন আয়োজন আগে কখনো দেখিনি। আমরা চাই, প্রতিবছর এই অনুষ্ঠান যেন হয়।”
ওয়াব্রাং ইয়ং বয়েজ স্পোর্টিং ক্লাবের প্রতিষ্ঠাতা ও সভাপতি ইলিয়াস মিন্টু বলেন, “আমরা শুধু খেলাধুলাই নয়, মাদকমুক্ত সমাজ গঠন ও শিক্ষার প্রসারে কাজ করি। এই ক্লাব থেকে ইতিমধ্যে জাতীয় ও বিভাগীয় পর্যায়ের খেলোয়াড় তৈরি হয়েছে।”
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ও ন্যাশনাল জুডো চ্যাম্পিয়ন রিয়াজ উদ্দিন বলেন, “আজকের দিনটি আমার জীবনের সেরা মুহূর্তগুলোর একটি। এই ক্লাব এবং এলাকার মানুষ আমাকে যা দিয়েছে, তার জন্য আমি চিরকৃতজ্ঞ। বিশেষ করে ক্লাবের ক্যাপ্টেন জাইনুল ইসলাম ও ইলিয়াস মিন্টু ভাইদের অবদান স্মরণীয়।”
শফিক শাংগুলু বলেন, এই অনুষ্ঠান এলাকায় উৎসবের আমেজ এনেছিল। শিশু-কিশোর থেকে শুরু করে বৃদ্ধরাও প্রাণখোলা আড্ডায় অংশ নিয়ে এই উদ্যোগকে সফল করে তোলে। ওয়াব্রাং ইয়ং বয়েজ স্পোর্টিং ক্লাবের এমন সামাজিক ও ক্রীড়া কার্যক্রম ভবিষ্যতেও চলমান রাখার আহ্বান জানানো হয়।
Leave a Reply