1. akfilmmultimedia@gmail.com : admin2020 :
  2. teknafchannel71@gmail.com : teknaf7120 :
বৃহস্পতিবার, ১৫ জানুয়ারী ২০২৬, ০৮:৫১ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
টেকনাফে চেয়ারম্যান হলেন যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক শাহ জালাল নি’র্ল’জ্জ টেকনাফ উপজেলার বিএনপির একটি অংশ! স্বাধীনতার ৫৪ বছর পরও মানুষ বৈষম্যের শিকার: টেকনাফের বিজয় সমাবেশে অধ্যক্ষ আনোয়ারী টেকনাফ প্রেসক্লাবে মহান বিজয় দিবস উদযাপন ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত টেকনাফে ৩১বার তুপ ধ্বনি ও শহীদ মিনারে ফুলদিয়ে শহীদের শ্রদ্ধা জানিয়ে শুরু হল বিজয় দিবসের কার্যক্রম মুক্তি ককসবাজার কর্তৃক মার্কেট লিংকেজ কর্মশালা অনুষ্ঠিত হ্নীলা ইউনিয়ন পরিষদের দৃষ্টি নন্দন মসজিদের উদ্বোধন করেছেন টেকনাফ ইউএনও, মোঃ ইমামুল হাফিজ নাদিম মহান বিজয় দিবসের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন টেকনাফ উপজেলা শ্রমিকদলের সাঃ সম্পাদক মুন্না ভারতে পা’লিয়ে সেলফি পাঠিয়েছেন হাদির ওপর হা’মলাকারী: সায়ের সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজে ভর্তির সুযোগ পেলেন টেকনাফের আব্দুল্লাহ ছেলে মেধাবী ছাত্র আব্দুল হাফেজ

কক্সবাজারের কলাতলী বাদশা ঘোনায় কবিরের নেতৃত্বে পাহাড় কেটে স্হাপনা নির্মাণ

  • আপডেট সময় : সোমবার, ৪ জুলাই, ২০২২
  • ২৮২ বার পড়া হয়েছে

আবদুর রাজ্জাক, বিশেষ প্রতিনিধি কক্সবাজার।

চলছে দখল ও পাহাড় কাটা মহোৎসব। ফলে বেদখল হচ্ছে সরকারি জমি ও সাবাড় হচ্ছে সরকারি পাহাড়। দিনে দুপুরে উঁচু পাহাড় কেটে চলছে এসব অবৈধ স্থাপনার কাজ। কক্সবাজার সদরের ঝিলংজা ইউনিয়নের ১ নং ওয়ার্ডের পুলিশ লাইসেন্স এর পিছনে কলাতলী বাদশা ঘোনায় সরকারি মুল্যবান খাস জমি দখল করে উঁচ পাহাড় কেটে স্হাপনা নির্মাণ করছে মহেশখালী শাপলাপুর নতুন বাজার এলাকার আরফা স্বামী মোহাম্মদ করিম। সে জায়গাটি ঘোনার পাড়া কবিরের কাছ থেকে ক্রয় করেছে বলে জানান।।

সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়,কক্সবাজারের মহেশখালীর শাপলাপুর নতুন বাজার এলাকার মোহাম্মদ করিম ও তার স্ত্রী আরফা বেগম এর নেতৃত্বে এই পাহাড় নিধন ও স্হাপনা নির্মাণের কর্মযজ্ঞ চলছে।তাদেরকে প্রত্যক্ষভাবে সহযোগীতা করছে স্হানীয় কবির নামের এক ব্যক্তি।কবিরের উপস্হিতিতে মোহাম্মদ করিম ও তার স্ত্রী আরফা প্রশাসনকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে বিশাল আকারে পাহাড় কেটে সরকারি খাসজমি দখল করে স্হাপনা নির্মাণ অব্যাহত রেখেছে।

অভিযোগ উঠেছে, কবিরের ভাই সবুজ নাকি ক্ষমতাসীন দলের কক্সবাজারের বড় এক নেতার সাথে চলাফেরা করে।তাই সবুজ এর প্রভাব কাটিয়ে আইনকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে সরকারি জমি বিক্রি ও প্রকাশ্যে শত ফুট উঁচু পাহাড় সাবাড় করে পরিবেশ ধ্বংস করে সরকারি জমিতে স্হাপনা নির্মাণে সহযোগীতা করে যাচ্ছে। জেলা ও উপজেলা প্রশাসন বা পরিবেশ অধিদপ্তরকে তোয়াক্কা না করে সরকারি জমি বিক্রি ও পাহাড় কাটতে প্রত্যক্ষভাবে সহযোগীতা করছে।

স্থানীয় সচেতন মহলের দাবি, এভাবে সরকারি খাস জমি দখল করে অবৈধ স্থাপনা নির্মাণ হতে থাকলে অচিরেই প্রাকৃতিক সৌন্দর্য পাহাড় তো ধ্বংস হবেই সে সাথে প্রকৃতি হারাবে তার নিজস্ব সৌন্দর্য। তাই দ্রুত এসব অবৈধ স্থাপনা, পাহাড় কাটা বন্ধ ও খাস জমি বেদখল করতে জনপ্রতিনিধি সহ প্রশাসনের সু-দৃষ্টি কামনা করছি।

অভিযুক্ত কবিরের কাছে সরাসরি জানতে চাইলে তিনি বলেন,এই জমি আমি বিক্রি করছি সমস্যা কোথায়? আপনারা ইচ্ছামত পত্রিকায় নিউজ করেন,তাতে আমার কিছু হবেনা।

নিউজটি শেয়ার করুন..

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর
error: Content is protected !!