1. akfilmmultimedia@gmail.com : admin2020 :
  2. teknafchannel71@gmail.com : teknaf7120 :
বৃহস্পতিবার, ০৫ নভেম্বর ২০২৬, ০১:৫৯ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
মাদকমুক্ত পরিবার, নিরাপদ সমাজ ও সুন্দর ভবিষ্যৎ গড়ার প্রত্যয়ে পাঁচ পর্বের বিশেষ লেখা সংবাদকর্মী ইউনুছ অভি টেকনাফ উপজেলা ছাত্রদলের সাঃ সম্পাদক হলেন দুঃসময়ের পরীক্ষিত ছাত্রনেতা আরমান টেকনাফ উপজেলা ছাত্রদলের সহ-সভাপতি নির্বাচিত হলেন ছাত্রনেতা আব্দুল্লাহ আল নোমান টেকনাফ পৌর ছাত্রদলের সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক হলেন ছাত্রনেতা- সাইফুর রহমান উখিয়া উপজেলা ছাত্রদলের সভাপতি- রিদুয়ান, সম্পাদক- রিয়াদ, সাংগঠনিক- রেজাউল টেকনাফ পৌর ছাত্রদলের সভাপতি- সাগর, সম্পাদক- আসিফ, সাংগঠনিক- ফিরোজ টেকনাফ উপজেলা ছাত্রদলের কমিটি অনুমোদন, সভাপতি- শামীম, সম্পাদক- আরমান পালংখালীতে দেড় লাখ ইয়াবা আত্মসাৎ, অস্ত্রের মহড়ায় থমথমে নলবনিয়া পানির নিচে ৩ লাখ ইয়াবা! অভিনব কায়দায় লুকানো চালান উদ্ধার, নারী গ্রেপ্তার সাবরাংয়ে জমির পাওনা টাকা চাওয়ায় ছুরিকাঘাতে দুই ভাই রক্তাক্ত, মাদক দিয়ে ফাঁসানোর হুমকির : থানায় অভিযোগ

টেকনাফের হোয়াইক্যং উলুবনিয়া সীমান্ত অরক্ষিত: মাদক ব্যবসায়ীরা অধারা

  • আপডেট সময় : সোমবার, ২৭ জুলাই, ২০২০
  • ৬১১ বার পড়া হয়েছে

মোঃ আশেক উল্লাহ ফারুকী (টেকনাফ ৭১)

কক্সবাজার টেকনাফ সীমান্ত উপজেলার ১নং হোয়ইক্যং ইউনিয়ন এবং উখিয়া উপজেলার পালংখালী ইউনিয়নের সাথে লাগোয়া। পালংখালী ব্রীজ পার হলেই হোয়াইক্যং ইউনিয়নের কাটাখালী ও উলুবনিয়া। স্টেশন এর ভৌগলিক অবস্থান হোয়াইক্যং ইউনিয়নের উত্তরে উখিয়া উপজেলার দক্ষিণে হ্নীলা পশ্চিমে বিস্তীর্ন পাহাড় এবং পূর্বে মিয়ানমারের (রাখাইন) আরকান রাজ্য এবং নাফ নদী। হোয়াইক্যং উলুবনিয়া ষ্টেশন থেকে পূর্বে প্রায় ৩ কিঃ মিটার উলুবনিয়া হারাংগ্যা ঘোনা ও তুলাতলী। এ ৩টি পাড়া মিয়ানমার সীমান্তের নাফনদীর তীরে। এখানের যোগাযোগ ব্যবস্থা খুবই নাজুক। এ কারণে আইন শৃংখলা বাহিনী মাদক ও অপরাধ দমনে সহজে যাতায়াত করতে পারে না। বিধায় প্রত্যান্ত এলাকা উলুবনিয়া, হারাগ্যা ঘোনা ও তুলাতলীতে চলচে মাদক ও রোহিঙ্গা আদমের রমরমা বানিজ্য।

এ বানিজ্য করে স্থানীয়রা বনে গেছেন, বিপুল কালো টাকার মালিক। অনুসন্ধানে জানা যায়, টেকনাফে মাদক বিরোধী অভিযান এবং বন্দুকযুদ্ধ চলমান থাকার পর ও টেকনাফের উত্তরাঞ্চলে মাদক প্রবেশের ভয়াবহতা লক্ষ্য করা যাচ্ছে। যাহা আইন শৃংখলা বাহিনীর অভিযানে মাদক উদ্বার প্রমান করে বর্তমানে হ্নীলা ও হোয়াইক্যং ইউনিয়ন হচ্ছে, এখন মাদকের স্বর্গরাজ্য। কেননা এ দুই ইউনিয়নে বিপুল সংখ্যক অনুপ্রবেশকারী রোহিঙ্গাদের বসতি এবং পাহাড় হচ্ছে নিরাপদ স্থান। এ সুযোগে ওরা মাদক ও রোহিঙ্গা ব্যবসাকে নিরাপদ মনে করে স্থানীয় প্রভাব শালীদের হাত মিলিয়ে এ ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছেন। টেকনাফের হোয়াইক্যং উত্তরাঞ্চল উলুবনিয়া ও কাটাখালী, হারাগ্যা ঘোনাও তুলতলী বর্তমানে মাদকের স্বর্গরাজ্য বললেই চলে এবং এখানে বাঘা বাঘা মাদককারবারী ও মানব পাচারকারী পর্দার অন্তরালে আইন শৃংখলা বাহিনীর চোখ ফাঁকি দিয়ে অবস্থান করছে। যদিও মাদক তালিকায় ওদের নাম না থাকলেও নির্বিঘ্নে মাদক ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছে। এখানে আইন শৃংখলা বাহিনীর মাদক ও চোরাচালান বিরোধী অভিযান ঝিমিয়ে পড়ায় মাদক কারবারীদের পোয়াবারু চলছে। নির্ভরযোগ্য সূত্র জানায়, স্থানীয় প্রভাবশালী নেতা ও রোহিঙ্গার নেতৃত্বে উলুবনিয়ায় মাদক ও রোহিঙ্গা বানিজ্য চালিয়ে ওরা কালো টাকার পাহাড় বনে গেছেন। এ তথ্য কিন্তু সরকারী গোয়েন্দা নজরে না থাকলেও সচেতন মহলের মধ্যে রয়েছে। অনুসন্ধানে আরো জানা গেছে, উলুবনিয়া ও হারাগ্যা ঘোনার প্রায় ৩৫ জন তালিকাভূক্ত মাদক কারবারীরা আইন শৃংখলা বাহিনীর চলমান মাদক বিরোধী অভিযান এবং বন্দুকযুদ্ধ বাচঁতে ওরা উলুবনিয়া সীমান্ত বরাবর মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যে আশ্রয় নিয়েছে।

সূত্রে জানায়, ওরা সেখানে চিংড়ী চাষের অঘোশিত ভাবে অনুমতি নিয়ে মাদক পাচার ও রোহিঙ্গা অনুপ্রবেশ ঘটিয়ে কোটি কোটি টাকার মালিক বলে যাচ্ছে। উলুবনিয়া সীমান্ত এলাকা অরক্ষিত এবং প্রতিনিয়তই রোহিঙ্গা আসা যাওয়া করছে এবং সেই সাথে মাদক ব্যবসার মহৌৎসব চলছে। রোহিঙ্গা ও চৌকিদার এবং বিতবকৃত ক্ষমতাসীন দলের নেতার আশ্রয় ও প্রশ্রয়ে চলছে মাদক ব্যবসা ও রোহিঙ্গা অনুপ্রবেশ। ওদেরকে আইনের আওতায় নিয়ে আসা প্রয়োজন বলে এলকার সচেতন মহল মনে করেন। অন্যতায় মাদক ও রোহিঙ্গা দমন করা যাবে না।

টেকনাফ মডেল থানার ওসি প্রদীপ কুমার দাশ বলেন, মাদকের সাথে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি যে দলের লোক হউক না কেন? যত বড় প্রভাবশালী হোক না কেন অবশ্যই তাদেরকে আইনের আওতায় নিয়ে আসা হবে। তো অনুসন্ধান চলছে এবং চলবে ………………

নিউজটি শেয়ার করুন..

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর

copy off