1. akfilmmultimedia@gmail.com : admin2020 :
  2. teknafchannel71@gmail.com : teknaf7120 :
শুক্রবার, ০২ জানুয়ারী ২০২৬, ০৯:৪০ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
নি’র্ল’জ্জ টেকনাফ উপজেলার বিএনপির একটি অংশ! স্বাধীনতার ৫৪ বছর পরও মানুষ বৈষম্যের শিকার: টেকনাফের বিজয় সমাবেশে অধ্যক্ষ আনোয়ারী টেকনাফ প্রেসক্লাবে মহান বিজয় দিবস উদযাপন ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত টেকনাফে ৩১বার তুপ ধ্বনি ও শহীদ মিনারে ফুলদিয়ে শহীদের শ্রদ্ধা জানিয়ে শুরু হল বিজয় দিবসের কার্যক্রম মুক্তি ককসবাজার কর্তৃক মার্কেট লিংকেজ কর্মশালা অনুষ্ঠিত হ্নীলা ইউনিয়ন পরিষদের দৃষ্টি নন্দন মসজিদের উদ্বোধন করেছেন টেকনাফ ইউএনও, মোঃ ইমামুল হাফিজ নাদিম মহান বিজয় দিবসের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন টেকনাফ উপজেলা শ্রমিকদলের সাঃ সম্পাদক মুন্না ভারতে পা’লিয়ে সেলফি পাঠিয়েছেন হাদির ওপর হা’মলাকারী: সায়ের সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজে ভর্তির সুযোগ পেলেন টেকনাফের আব্দুল্লাহ ছেলে মেধাবী ছাত্র আব্দুল হাফেজ এবার ওসমান হাদির গ্রামের বাড়িতে চু’রি

টেকনাফ স্থলবন্দরে মাঝিদের সীমাহীন দূর্নীতি

  • আপডেট সময় : বুধবার, ৩০ জুন, ২০২১
  • ৪৪৫ বার পড়া হয়েছে

আমি একজন টেকনাফ স্থলবন্দরের ছোট মানের ব্যবসায়ী। আমি অভিযোগ করতেছি যে, বন্দর কর্তৃপক্ষ ও লেবার মাঝিদের সীমাহীন দূর্নীতি করতেছে। যেখানে বন্দর কর্তৃপক্ষ সরকার থেকে লীজ নেয়, সেখানে বন্দর কর্তৃপক্ষ মালামাল লোডিং আনলোডিং করা হয়। ব্যবসায়ীরা মালামালের লোডিং আনলোডিং এর সম্পূর্ণ খরচ সি.এন্ড.এফ কে দিয়ে দেন। লেবারের অতিরিক্ত টাকা চার্জ করার কারণে, ব্যবসায়ীদের সি.এন্ড.এফ খরচ ও বেশী হয়। এ সপ্তাহে আমার ব্যক্তিগত ১৫টি পিয়াজের গাড়ী হয়। প্রতি গাড়ীতে ৮৫০০ টাকা করে অতিরিক্ত টাকা নেওয়া হয়। মালামাল লোডিং আনলোডিং এর সম্পূর্ণ দায়িত্ব বন্দর কর্তৃপক্ষের।
আমি যখন বন্দর ম্যানেজারকে জিজ্ঞাস করলাম, আমাকে বলে বন্দর কর্তৃপক্ষ লেবারের সম্পূর্ণ টাকা তাদের নিয়ন্ত্রণে। তারপরে বন্দরের লেবারের মাঝিকে জানাইলে, মাঝি আমাকে বলে বন্দর লেবারের যেই টাকা দেয়, তা আমাদের ল্যাভারের চা খাওয়ার পয়সাও হয়না। সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত কাজ করার পরে বন্দর কর্তৃপক্ষ মজুরি হিসাবে জনপ্রতি ২৬০ টাকা করে দেয়। প্রতি গাড়ীতে ৮৫০০/- থেকে ৯০০০/- টাকা করে নেয়। সেখানে প্রতি গাড়ীতে লেবারদেরকে দেওয়া হয় মাত্র ৩০০০/- টাকা। বন্দরে দৈনিক ১২০ থেকে ১৫০টি গাড়ী হলে, এখন চিন্তা করে দেখেন কি পরিমাণ দূর্নীতি করতেছে আপনারা দেখেন। এই অভিযোগ গুলো বন্দরের সি.এন্ড.এফ এর সভাপতি ও সেক্রেটারিকে জানানোর পরেও কোন ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি।
বন্দরে দুটি গেইট থাকার পরেও একটি গেইট ব্যবহার করার কারণে প্রচুর যানযট হচ্ছে। সকালে গাড়ী লোড করার পরেও সন্ধ্যার সময় গাড়ী বাহির হতে পারে না, তাই ব্যবসায়ীদের মালামালের প্রচুর ক্ষয়ক্ষতি হচ্ছে। বন্দরে এ অবস্থা চলমান থাকলে আমরা ব্যবসায়ীরা কিভাবে ব্যবসা করব। তাই আমরা জেলা প্রশাসক মহোদয় ও দূর্নীতি দমন কমিশনের হস্তক্ষেপ কামনা করি।

 

লেখক, আব্দুর শুক্কুর, সি,আই,পি।

ব্যবসায়ী টেকনাফ স্থল বন্দর।

নিউজটি শেয়ার করুন..

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর
error: Content is protected !!