
সামিরা আকতার: টেকনাফ।
টেকনাফের হ্নীলা ইউনিয়নের লেদা স্টেশনে ময়লা-আবর্জনার ভাগাড়ে পরিণত হওয়ায় চরম জনদুর্ভোগ দেখা দিয়েছে।
প্রতিদিন হাজার হাজার সাধারণ মানুষ ও যাত্রী এই স্টেশন দিয়ে যাতায়াত করলেও স্থানটি এখন অবাসযোগ্য ও দুর্গন্ধময় এক নরককুণ্ডে রূপ নিয়েছে।
স্থানীয়দের অভিযোগ, স্টেশনের চারপাশে যত্রতত্র ফেলে রাখা হচ্ছে প্লাস্টিক বোতল, ওয়ান-টাইম কাপ, পলিথিন, বাসিকুশি খাবারের প্যাকেট ও উচ্ছিষ্ট অংশ। বিশেষ করে রাস্তার দুই পাশে পশরা সাজিয়ে বসা রোহিঙ্গা ব্যবসায়ীরা পরিচ্ছন্নতার ন্যূনতম নিয়মকানুন মানছেন না। ব্যবসা পরিচালনা করলেও নিজের দোকানের সামনের অংশটুকু পরিষ্কার রাখার কোনো উদ্যোগ তাদের মধ্যে দেখা যায় না।
ভুক্তভোগী এক পথচারী ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, “ব্যবসা করে লাভ গুটিয়ে নেওয়া হলেও সামাজিক বা নাগরিক দায়িত্ব কেউ নিচ্ছেন না। পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখা সভ্যতার লক্ষণ, অথচ এখানে ব্যবসার নামে চরম অসভ্যতা চলছে।”
এদিকে স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের ভূমিকা নিয়েও উঠছে নানা প্রশ্ন। স্থানীয়দের দাবি, জনগণের ট্যাক্সের টাকায় নির্মিত অবকাঠামো বা সরকারি বরাদ্দের সঠিক ব্যবহার না হয়ে বিষয়গুলো উপেক্ষিতই থেকে যাচ্ছে। শুধুমাত্র প্রচার-প্রচারণায় সীমাবদ্ধ না থেকে দ্রুত টেকসই পরিচ্ছন্নতা অভিযান পরিচালনার জন্য স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান ও প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করছেন তারা।
প্রশাসনের পক্ষ থেকে দ্রুত কঠোর পদক্ষেপ ও সচেতনতামূলক কার্যক্রম জোরদার করা না হলে ভবিষ্যতে দোকান উচ্ছেদসহ কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন ক্ষুব্ধ এলাকাবাসী।###
copy off
Leave a Reply