1. akfilmmultimedia@gmail.com : admin2020 :
  2. teknafchannel71@gmail.com : teknaf7120 :
সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৩:৩২ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
ভুয়া পারিবারিক পরিচয়ে টেকনাফে রোহিঙ্গাদের এনআইডি তৈরি, নথিতে স্বামী-স্ত্রী ‘ভাই-বোন’, মায়ের জন্মের আগেই ছেলের জন্ম! অপ্রতিম হত্যা: সিসিটিভি ফুটেজের সূত্র ধরে আটক ৩ আইফোনের জন্য’ শিশু অপ্রতিমকে হত্যা দেশবিদেশ পত্রিকার বর্ষ সেরা প্রতিনিধি হলেন জসিম উদ্দিন টিপু ওবায়দুল কাদের- আরাফাতসহ ৭ জনের মৃ’ত্যু’দ’ণ্ড টেকনাফে জাম্বুরা পাড়া নিয়ে ঝগড়া, ছেলের হাতে বাবা খু’ন! ৫নং ওয়ার্ডে পরিবর্তনের হাওয়া? তরুণ নেতৃত্বের প্রত্যয়ে আলোচনায় মোহাম্মদ ইসমাইল নাফ নদীতে গোসল করতে নেমে নিখোঁজ দুই শিশুর মৃত্যু! টেকনাফে ভাই-বোন নিখোঁজ, সন্ধান পেলে যোগাযোগ : 01811-621422 টেকনাফে একসঙ্গে দুই ভাই-বোন নূরানী শিক্ষার্থী নিখোঁজ, চরম উদ্বেগ ও উৎকণ্ঠায় পরিবার 

রোহিঙ্গা ক্যাম্পে ১স’ন্তা’নে’র জননী কে ধ’র্ষ’ন! ধ’র্ষ’ক গ্রেফতার

  • আপডেট সময় : বুধবার, ১৬ অক্টোবর, ২০২৪
  • ২২৩ বার পড়া হয়েছে

সংবাদ দাতা কক্সবাজার

কক্সবাজার টেকনাফের নয়াপাড়া রেজিস্ট্রার রোহিঙ্গা ক্যাম্পে বসবাস রত ১সন্তানের জননী ধর্ষণের শিকার হয়েছে। সে নয়াপাড়া রেজিস্ট্রার ক্যাম্প এইচ ব্লকের শেড ৬৪৪/ ৫ নং রুমের বসবাস কারি মোঃ হেসেন এর মেয়ে ইয়াসমিন আকতার (২০)। উক্ত ঘটনায় ভুক্তভোগী নারী বাদি হয়ে টেকনাফ মডেল থানায় একটি মামলা দায়ের করেন । ওই মামলায় পুলিশের অভিযানে ধর্ষক ও প্রধান আসামি এইচ ব্লকের আব্দুস সালামের ছেলে আব্দুল্লাহ (২৬) কে গ্রেফতার করেছেন বলে জানাগেছে। সে ব্লগ বি এর শেড ১০৫৪ /৩ এ বসবাস করেন।

মামলার এজার সূত্র ও ভিক্টিমের বরাদ দিয়ে জানা গেছে, গত ১৪ অক্টোবর রাতে বাদি প্রাকৃতিক ডাকে সাড়া দিতে বসত ঘর সংলগ্ন
টয়লেটে যায়। আনুমানিক ১০ মিনিট পরে টয়লেট শেষ করে বাহিরে আসলে বিবাদী মোহাম্মদ আলম প্রকাশ মাহাত আলম আমার মুখ চেপে ধরেন, এবং অপর আসামি আব্দুল্লাহ আমাকে পেটে লাতি দিয়ে মাঠিতে ফেলে দেন। মাহাত আলম আমার মুখ চেপে ধরায় আমি চিৎকার দিতে পারিনি। এর পর আসামি আব্দুল্লাহ আমার ইচ্ছার বিরুদ্ধে জোরপূর্বক ধর্ষণ করেন। পাশাপাশি আমার বুকে ও গলায় কামড় দিয়ে যখম করেন। পরে আসামিদ্বয় আমার মাথার উড়না দিয়ে বেধে আমাকে ফেলে চলে যায়। কিছুক্ষণ পর মামলার সাক্ষী শুক্কুর টয়লেট করতে আসলে আমাকে দেখে চিৎকার দেন। পরে আশেপাশের লোক জড়িত হয়ে মা এবং এলাকা বাসী আমাকে উদ্ধার করে ক্যাম্পের এনজিও সংস্থার হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য নিয়ে যায়। পরে সেখান থেকে উন্নত চিকিৎসার জন্য টেকনাফ হাসপাতালে নিয়ে যায়।

ভিক্টিম ইয়াসমিন আকতার আরো জানান, আমার আসামি আব্দুল্লাহ গ্রফতার হওয়ার আগে আমি হাসপাতালে চিকিৎসা নেওয়ার সময় আমাকে মেরে ফেলতে এসেছিলেন। তিনি হুমকি দিয়ে বলেছেন, তোমাকে জানে মেরে ফেললেও মামলা হবে একটা, বাঁচিয়ে রাখলেও হবে একটা। পরে তাহার এমন অবস্থা দেখে খবর শুনে পুলিশ তাকে গ্রেফতার করেন।
তিনি আরো বলেন, মামলা করার কারণে আসামিদের অপরাপর আত্মীয়-স্বজনেরা আমাকে মেরে ফেলবে বলে হুমকি প্রদান করেন। আমি সরকার ও ইউএনএইচ সি আর হতে উক্ত বিচার ও সহযোগিতা চাই।

উক্ত বিষয়ে টেকনাফ মডেল থানার ওসি মোহাম্মদ গিয়াস উদ্দিন জানান, ঘটনার বিষয়ে মামলা রুজু করা হয়েছে। আব্দুল্লাহ কে গ্রেফতার করে বিজ্ঞ আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে।

নিউজটি শেয়ার করুন..

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর

copy off