
নাছির উদ্দীন রাজ, টেকনাফ।
টেকনাফ পৌরসভার নাইট্যংপাড়া এলাকায় অভিযান চালিয়ে সমুদ্রপথে অবৈধভাবে মালয়েশিয়ায় ( বিদেশ) পাচারের উদ্দেশ্যে জড়ো করা ১০ জন মানবপাচারের শিকার ভিকটিমকে উদ্ধার এবং মানবপাচার কাজে জড়িত চক্রের একজন সক্রিয় সদস্যকে গ্রেফতার করেছে র্যাব-১৫, সিপিসি-১, টেকনাফ । যাদের মধ্যে ৪ জন নারী ও ৬ জন পুরুষ রয়েছে। আটক আব্দুল আমিন (২২) নাইট্যংপাড়া এলাকার নূর মোহাম্মদের ছেলে।

বৃহস্পতিবার (২০ আগস্ট) বিকালে কক্সবাজার র্যাব১৫’র সহকারী পরিচালক(ল’ এন্ড মিডিয়া) ও সহকারী পুলিশ সুপার আ. ম. ফারুক এক সংবাদে তথ্য নিশ্চিত করেন।
তিনি জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে র্যাব-১৫, সিপিসি-১, টেকনাফ ক্যাম্পের একটি আভিযানিক দল জানতে পারে, একটি সংঘবদ্ধ মানবপাচারকারী চক্র জোরপূর্বক/প্রলোভনের মাধ্যমে কয়েকজন বাংলাদেশি পুরুষ ও নারীকে সমুদ্রপথে অবৈধভাবে মালয়েশিয়ায় পাচারের উদ্দেশ্যে টেকনাফ পৌরসভার ১নং ওয়ার্ডের নাইট্যংপাড়ায় একত্রিত করেছে। প্রাপ্ত সংবাদের ভিত্তিতে, গত বুধবার রাতে নাইট্যংপাড়ার পিএইচপি বরফ মিলের পাশে জনৈক হাবিবুল্লাহর বাড়ির সামনের এলাকায় আভিযান পরিচালনা করে। র্যাবের উপস্থিতি টের পেয়ে সংঘবদ্ধ মানবপাচারকারী চক্রের সদস্যরা পালানোর চেষ্টা করে। এ সময় র্যাব সদস্যরা ধাওয়া করে আব্দুল আমিন কে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়।
তিনি আরো জানান, গ্রেফতারকৃত আসামিকে জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায়, সে ও তার পলাতক সহযোগীরা পরস্পর যোগসাজশে উদ্ধারকৃত ভিকটিমদের বাংলাদেশ থেকে সমুদ্রপথে অবৈধভাবে মালয়েশিয়ায় পাচারের উদ্দেশ্যে ঘটনাস্থলে জড়ো করেছিল। অভিযানে ঘটনাস্থল থেকে মানব পাচারের শিকার ১০ জন ভিকটিমকে নিরাপদে উদ্ধার করে র্যাবের হেফাজতে নেওয়া হয়। উদ্ধারকৃত ভিকটিমদের প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায়, তাদেরকে সমুদ্রপথে অবৈধভাবে মালয়েশিয়ায় পাচারের উদ্দেশ্যে উক্ত স্থানে নিয়ে আসা হয়েছিল।
উদ্ধারকৃত ভিকটিম ও গ্রেফতারকৃত আসামির বিরুদ্ধে যথাযথ আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য টেকনাফ মডেল থানায় হস্তান্তর করা হয়।
copy off
Leave a Reply