1. akfilmmultimedia@gmail.com : admin2020 :
  2. teknafchannel71@gmail.com : teknaf7120 :
সোমবার, ১৯ অক্টোবর ২০২৬, ১১:৪০ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
উখিয়ায় শ্মশানের জমি নিয়ে ৪০ বছরের বিরোধ: একটি  প্রভাবশালী চক্র অসহায় মুসলিম পরিবারকে হয়রানির অভিযোগ টেকনাফের কাস্টমস কর্মকর্তা নাম ভাঙিয়ে চাঁদা দাবি’র সংবাদটি মিথ্যা, উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ও বানোয়াট- জসিম উদ্দিনের তীব্র প্রতিবাদ  সেন্টমার্টিনে পর্যটক যাতায়াত ও জাহাজ চলাচল নিয়ে সচিবালয়ে আন্তঃমন্ত্রণালয় সভা, সুখবর আসছে-এমপি শাহজাহান চৌধুরী সত্য প্রতিবাদ করতে গিয়ে সংবাদে অপপ্রচার ও হয়রানি, প্রতিবাদ জানালেন স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা রাশেদুল ইসলাম সেন্টমার্টিন রোগী এলে ফোন করে খুঁজতে হয় নার্সকে, হাসপাতালের নার্স কোয়ার্টারে যুবকের যাতায়াত নিয়ে চাঞ্চল্য তথ্য মানহীন ওষুধ লিখে রোগীকে জিম্মি! টেকনাফে ভয়ঙ্কর স্বাস্থ্য প্রতারণার ফাঁদ: প্রেসক্রিপশন বাণিজ্যের নেপথ্যে ফারিয়া’র মিরাস টেকনাফ পৌর শহরের ফুটপাত দখলমুক্ত করতে ইউএনও’র অভিযান টেকনাফের রঙ্গিখালীতে শহীদের কবর মুছে দেওয়ার অভিযোগে পরিবারের সংবাদ সম্মেলন সেন্ট মার্টিনে ৭০০ টাকায় খৎনা, দুই দিন পর ৫০ শিশুর রক্তক্ষরণ : ইউএনওর গাফিলতির অভিযোগ তরুণদের মাঠে রাখতে পারলে মাদক-অপরাধ থেকে দূরে রাখা যাবে: হ্নীলায় জেএসিএফ ট্রফির উদ্বোধনে বক্তারা 

টেকনাফে এলপিজি স্টেশনে গ্যাস বিক্রি করছে বোতলে ভরে: সংশ্লিষ্টরা নির্বিকার

  • আপডেট সময় : মঙ্গলবার, ৩১ আগস্ট, ২০২১
  • ৪৯৩ বার পড়া হয়েছে

বিশেষ প্রতিনিধি।

কক্সবাজারের টেকনাফে আইনের তোয়াক্কা না করে লিকুইড পেট্রোলিয়াম গ্যাস (এলপিজি) ফিলিং স্টেশনে দিবা রাত্রি প্রকাশ্যে বহন যোগ্য সিলিন্ডার ভর্তি করে এলপিজি গ্যাস বিক্রি করছে নাফ পেট্রোল সার্ভিস নামের প্রতিষ্টানটি। এতে সরকার হারাচ্ছে রাজস্ব পাশাপাশি ক্ষতিগ্রস্থ হচ্ছে বোতলজাতকৃত এলপি গ্যাস বিক্রয় প্রতিষ্টান গুলো। এছাড়াও দিন দিন বাড়ছে সিলিন্ডার বিস্ফোরনের ঝুঁকি। বিভাগীয় এক কর্মকর্তার প্রশ্রয়ে এসব অনিয়ম চালিয়ে যাচ্ছে এমনটি অভিযোগ ব্যবসায়ীদের।

টেকনাফ পৌর শহরের প্রাণ কেন্দ্রে অবস্থিত নাফ পেট্রোল সার্ভিস নামের একটি প্রতিষ্টান। শুরু থেকেই যানবাহনে (ডিজেল, পেট্রোল) জ্বালানী সর্বরাহ করে আসলেও বিগত ২০১৮ সালের দিকে এলপিজি গ্যাস বিক্রির অনুমোদন পায় প্রতিষ্টানটি। অনুমোদনের কয়েক মাসের মাথায় শুরু করে পাইকারী ও খুচরা ভাবে বহন যোগ্য বোতলে এলপিজি ভর্তির অবৈধ কারবার।

বিস্ফোরক আইন বিধিমালা মতে, ‘স্বয়ংক্রীয় ইঞ্জিনে জ্বালানী সর্বরাহ কাজে নিয়োজিত এলপিজি বিতরণ স্টেশন হতে মোটরযানে বা অন্যকোন স্বয়ংক্রিয় ইঞ্জিনের সাথে সংযুক্ত জ্বালানী ধারণ পাত্র ব্যতিত অন্য কোন বহনযোগ্য পাত্রে এলপিজি ভর্তি করা যাবেনা’। এছাড়াও যদি আইনের ব্যত্যয় ঘটলে ২ থেকে ৫ বছরের কারাদন্ড, ৫০ হাজার টাকা জরিমানা ও অনাদায়ে ৬ মাস কারাদন্ডের বিধান রাখা হয়েছে।

কয়েক জন বোতল ভর্তি করতে আসা ক্রেতাদের সাথে কথা বলে জানা গেছে, বাহিরে গ্যাস বিক্রয় কেন্দ্র গুলো থেকে এক বোতল গ্যাস নিতে গেলে এক হাজার পঞ্চাশ থেকে ১১শ টাকা লাগে। তাই অনেক সময় অর্থ সংকটে পড়লে ৫০০ টাকা দিলে এখান থেকে ১০ লিটার গ্যাস পাওয়া যায়। কিন্তু এভাবে গ্যাস ক্রয় করা অনিরাপদ ও অপরাধ সেটার তারা অবগত নন বলে জানান।

এভাবে প্রতিদিন সকাল থেকে রাত অবদি যানবাহনে গ্যাস সর্বরাহের পাশাপাশি অন্তত আড়াই’শ থেকে দুই শতাধিক সিলিন্ডার ভর্তি করছে প্রতিষ্টানটি। অনুসন্ধানে ঝুঁকিপূর্ণ ভাবে গতানুগতিক কায়দায় বোতল ভর্তি করা চিত্র ধরা পড়ে বার্তা বাজারের ক্যামেরায়।

অভিযোগ রয়েছে, বিভাগীয় কার্যালয়ের এক কর্মকর্তার সাথে প্রতিষ্টানের এক মালিকের সাথে ঘনিষ্ট সম্পর্ক রয়েছে। তার ক্ষমতার বলে অবৈধ ভাবে বিভিন্ন কোম্পানীর বোতল সংগ্রহ করে নিজেদের রিজার্ভয়ার থেকে গ্যাস ভর্তি করে বোতল প্রতি বাজার দর থেকে এক’শ টাকা কম মূল্যে বিক্রি করা হচ্ছে। ফলে লক্ষ লক্ষ টাকা বিনিয়োগে গড়ে উঠা স্থানীয় বিক্রয় কেন্দ্র গুলোতে প্রভাব পড়ছে।

এই বিষয়ে জানতে প্রতিষ্টানটির পরিচালক ইকবাল হোসেনের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিন দিন পর্যন্ত দফায় দফায় ব্যস্ততার অজুহাত দেখিয়ে বিষয়টি এড়িয়ে যান। এক পর্যায়ে ক্ষুদে বার্তায় অভিযোগের বিষয় গুলো জানানো হলে তখন থেকে তিনি ফোন রিসিভ করা বন্ধ করে দেন, ফলে বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

তবে প্রতিষ্টানটির সংশ্লিষ্ট একজন জানান, লক ডাউন চলাকালে স্থানীয় বিক্রয় কেন্দ্র গুলোতে গ্যাস সংকট দেখা দিলে বোতলে গ্যাস ভর্তি করা হয়। তবে ডিলাররা তার বক্তব্য মিথ্যা দাবী করে জানান, লকডাউনে গ্যাসবাহী যানবাহন চলাচল লকডাউনের আওতার বাহিরে ছিলো, তাই এক মুহূর্থের জন্যও গ্যাস সংকট ছিলোনা।

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, এ ধরনের বোতল জাত প্রক্রিয়া মারাত্বক ঝুঁকিপূর্ণ। বোতল ভর্তিকালীন সময়ে বিস্ফোরণে শতভাগ মৃত্যু ঝুঁকি রয়েছে। ঝুঁকি এড়াতে অনুমোদিত কোম্পানিগুলো স্বয়ংক্রিয় আধুনিক মেশিনের মাধ্যমে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে এলপি গ্যাস বাজারজাত করে। এসব স্টেশন গুলোর কারণে সরকার হারাচ্ছে রাজস্ব।

এ বিষয়ে চট্টগ্রাম বিভাগীয় বিস্ফোরক পরিদর্শক তোফাজ্জল হোসেনের দৃষ্টি আকর্ষন করা হলে তিনি বার্তা বাজারকে বলেন- বিষয়টি আমরা অবগত হয়েছি এই সংক্রান্ত কিছু ছবিও দেখেছি। লোক বলের অভাবে পরিদর্শনে যাওয়া বিলম্ব হচ্ছে। বিষয়টি খতিয়ে দেখে উর্ধতন কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়ার সুপারিশ করা হবে। ওই ফিলিং স্টেশনের মালিকের সাথে সম্পর্কের বিষয়টি স্বীকার করেছেন। কিন্তু তার নাম ভাঙ্গিয়ে এসব অপকর্ম করার কোন সুযোগ নেই বলে দাবী করেন।

টেকনাফ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট পারভেজ চৌধুরী বার্তা বাজারকে জানান, বিষয়টি খোঁজ নেয়া হবে। সত্যতা পাওয়া গেলে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।

নিউজটি শেয়ার করুন..

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর

copy off