1. akfilmmultimedia@gmail.com : admin2020 :
  2. teknafchannel71@gmail.com : teknaf7120 :
শুক্রবার, ২১ অগাস্ট ২০২৬, ১০:৪৭ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
মিয়ানমারে পাচার কালে ৫৩ বস্তা সারসহ ইঞ্জিনচালিত নৌকা জব্দ করেছে বিজিবি  টেকনাফে অবৈধ মাটি উত্তোলনের বিরুদ্ধে অভিযান, ড্রেজারসহ জব্দ ৩ ড্রাম ট্রাক কোস্টগার্ডের পৃথক অভিযানে বোটে তল্লাশি চালিয়ে কোটি টাকার ইয়াবা উদ্ধার আটক ৪ জন  র‍্যাব-১৫’র অভিযানে বিদেশে পাচার কালে ৪ নারী ও ৬ পুরুষ উদ্ধার আটক ১ পাচার কারি  টেকনাফে ৩ বাহিনীর পৃথক অভিযানে বিপুল পরিমাণ ইয়াবা ও নগদ টাকা উদ্ধার আটক ৩ জন  ঈদগাঁওতে মাদকবিরোধী মিছিল ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত  তথ্য গোপনের মামলায় নুরুল হুদা মেম্বারের সাড়ে তিন বছর কারাদণ্ড দোয়া, মিলাদের মধ্য দিয়ে টেকনাফে উপজেলা বিএনপির উদ্যোগে বেগম খালেদা জিয়ার জন্মদিন পালিত  হোটেল কক্ষ থেকে পুলিশ সদস্যের ঝু’লন্ত ম’রদেহ উদ্ধার ​টেকনাফ খেলোয়াড় সমিতি কক্সবাজার জেলা সমিতির অনুমোদিত নয়: বিশেষ সতর্কবার্তা

সেন্টমার্টিনে জেটিতে তল্লাশি চৌকি না থাকায় পর্যটক বেশে ইয়াবা পাচার |টেকনাফ একাত্তর  

  • আপডেট সময় : বৃহস্পতিবার, ১২ নভেম্বর, ২০২০
  • ৬৮৯ বার পড়া হয়েছে
মোঃ আরাফাত সানী, টেকনাফ
দেশের একমাত্র প্রবাল দ্বীপ সেন্টমার্টিন থেকে পর্যটক বেশে ইয়াবার বড় বড় চালান নিয়ে যাচ্ছে কক্সবাজারসহ দেশের অভ্যান্তরে। তল্লাশি জরুবী বলে স্হানীয়রা জানান। স্হানীয় সুএে জানা যায়, গত কয়েক মাস ধরে কক্সবাজার থেকে সাগর পথে সরাসরি পর্যটক জাহাজ সেন্টমাটিনে যাতায়াত করছে। এখানে পর্যটক দের জন্য  আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর কোন তল্লাশি চৌকি নেই। এই সুযোগ কে কাজে লাগিয়ে স্হানীয় ও দেশের বিভিন্ন প্রান্তের ইয়াবা কারবারিরা পর্যটকের বেশ ধরে সেন্টমাটিন থেকে নিরাপদে নিয়ে যাচ্ছে ইয়াবার বড় বড় চালান, খবর নির্ভর যৌগ্য সূত্রের।
এই ইয়াবা কারবারিরা প্রতিনিয়ত ইয়াবা ব্যবস্যা নিবিগ্নে চালানোর জন্য রুট পরিবর্তন, লোক পরিবর্তন, ও স্থান পরিবর্তন করে যাচ্ছেন। ইদানিং ইয়াবা পাচারের নিরাপদ রুট হিসেবে কক্সবাজার টু সেন্টমার্টিন যাতায়াত কারি জাহাজ ও পর্যটকবাহী কাঠের বোটকে বেঁচে নিয়েছে। গত (১১ অক্টোবর) টেকনাফ উপজেলা পরিষদের মাসিক আইনশৃংখলা সভায় সেন্টমার্টিন ইউনিয়ন চেয়ারম্যান বলেছেন দ্বীপে যাতায়াত কারি পর্যটকদেরকে স্হানীয় ইয়াবা কারবারিরা ইয়াবা ও মাদক বিক্রি করছে। এদের বিরুদ্ধে ব্যবস্হা গ্রহন করার জন্য তিনি প্রশাসন ও আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর প্রতি অনুরোধ করেন। সূত্রে জানাযায় সেন্টমার্টিনের নামি দামি কয়েকজন গডফাদার ইয়াবা ব্যবস্যা জমজমাট করার লক্ষে টেকনাফসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে হোটেল মোটেলে ভাড়া নিয়ে ব্যবস্যা চালিয়ে যাচ্ছে এদের অনেকেই এই ইয়াবা নিয়ে আটক হয়ে কারাগারে গিয়েছিল বর্তমানে জামিনে মুক্ত হয়ে ইয়াবা ব্যবস্যায় জড়িয়ে পড়েছে। এর মধ্যে অনেকেই জন প্রতিনিধি রয়েছে এরা সেন্টমাটিন ও প্রশাসননের নজরে ইয়াবা কারবারি হিসেবে চিহ্নিত। তারা সেন্টমাটিন টু কক্সবাজার গামী পর্যটক বাহী জাহাজ ছাড়াও প্রশাসনের অনুমতি বিহীন ২৬ টি কাঠের বোটে ও ইয়াবা পাচারের কাজে ব্যবহার হয় বলে স্হানীয় সূত্রে জানাযায়।
সেন্টমাটিনে যাতায়াত কারি পর্যটক বেশে ইয়াবা কারবারিদেরকে গেপ্তার করতে না পাড়লে এর পুরো প্রভাব পর্যটকদের উপর পড়বে। এবং পর্যটক খাতে বিপুল পরিমাণ রাজস্ব হারাবে সরকার।
উল্লেখ যে গত ১০ নভেম্বর ২০২০ দুই লাখ ইয়াবাসহ ৮ জন মাঝি মাল্লা ও ৩১ অক্টোবর ২০১৯ সেন্টমাটিন পর্যটক জেটিতে ১০ হাজার ইয়াবাসহ সেন্টমাটিন দ্বীপে এক পর্যটক কোষ্টগার্ডের হাতে হয়েছিল। এ ভাবে প্রতিনিয়ত এই দ্বীপের মধ্যে আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর চোখ ফাঁকি দিয়ে মিয়ানমার থেকে ইয়াবার বড় বড় চালান প্রবেশ করেছে। এ চালান গুলো ইয়াবা ব্যবসায়িরা পর্যটক বেশে সেন্টমাটিনে এসে নিয়ে যাচ্ছে বলে স্হানীয় সূত্রে জানাযায়।
বিস্তারিত: দৈনিক সমুদ্রকন্ঠ

নিউজটি শেয়ার করুন..

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর

copy off