1. akfilmmultimedia@gmail.com : admin2020 :
  2. teknafchannel71@gmail.com : teknaf7120 :
বুধবার, ২১ অক্টোবর ২০২৬, ০৬:৫০ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
উখিয়ায় শ্মশানের জমি নিয়ে ৪০ বছরের বিরোধ: একটি  প্রভাবশালী চক্র অসহায় মুসলিম পরিবারকে হয়রানির অভিযোগ টেকনাফের কাস্টমস কর্মকর্তা নাম ভাঙিয়ে চাঁদা দাবি’র সংবাদটি মিথ্যা, উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ও বানোয়াট- জসিম উদ্দিনের তীব্র প্রতিবাদ  সেন্টমার্টিনে পর্যটক যাতায়াত ও জাহাজ চলাচল নিয়ে সচিবালয়ে আন্তঃমন্ত্রণালয় সভা, সুখবর আসছে-এমপি শাহজাহান চৌধুরী সত্য প্রতিবাদ করতে গিয়ে সংবাদে অপপ্রচার ও হয়রানি, প্রতিবাদ জানালেন স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা রাশেদুল ইসলাম সেন্টমার্টিন রোগী এলে ফোন করে খুঁজতে হয় নার্সকে, হাসপাতালের নার্স কোয়ার্টারে যুবকের যাতায়াত নিয়ে চাঞ্চল্য তথ্য মানহীন ওষুধ লিখে রোগীকে জিম্মি! টেকনাফে ভয়ঙ্কর স্বাস্থ্য প্রতারণার ফাঁদ: প্রেসক্রিপশন বাণিজ্যের নেপথ্যে ফারিয়া’র মিরাস টেকনাফ পৌর শহরের ফুটপাত দখলমুক্ত করতে ইউএনও’র অভিযান টেকনাফের রঙ্গিখালীতে শহীদের কবর মুছে দেওয়ার অভিযোগে পরিবারের সংবাদ সম্মেলন সেন্ট মার্টিনে ৭০০ টাকায় খৎনা, দুই দিন পর ৫০ শিশুর রক্তক্ষরণ : ইউএনওর গাফিলতির অভিযোগ তরুণদের মাঠে রাখতে পারলে মাদক-অপরাধ থেকে দূরে রাখা যাবে: হ্নীলায় জেএসিএফ ট্রফির উদ্বোধনে বক্তারা 

দিন দিন নিধন হচ্ছে ঝাউবন হুমকির মুখে টেকনাফের উপকূলীয় অঞ্চল 

  • আপডেট সময় : বুধবার, ১৫ জানুয়ারী, ২০২৫
  • ১৭৮ বার পড়া হয়েছে

ফারুকুর রাহমান টেকনাফ ।

কক্সবাজারের সীমান্ত উপজেলা টেকনাফের সমুদ্রের উপকূলীয় অঞ্চলে দিন দিন উজাড় হচ্ছে উপকূল ও পরিবেশ রক্ষাকারী ঝাউবন। এমনকি কিছু অসাধু বন কর্মকর্তাদের বেখায়ালীর ফলে এসব অনৈতিক কর্মকাণ্ড চলছে বলে স্থানীয়দের অভিযোগ।

সূত্রে জানায় মেরিন ড্রাইভ ও সাগরের গ্রাস থেকে রক্ষা, সৌন্দর্য বৃদ্ধি ও পরিবেশ রক্ষায় মূলত সেনাবাহিনী এসব ঝাউগাছ রোপণ করছে সৈকতের পাড়ে। তবে কিছু অর্থ লোভী বন বিভাগের কর্মকর্তাদের সহায়তায় স্থানীয় কাঠ ব্যবসায়ী চক্র এসব গাছ কাটছে। দিনের পর দিন প্রকাশ্যে গাছ কাটলেও কোনও ব্যবস্থা নেওয়া হয় না। প্রতি মাসে উপকূলের এসব অঞ্চল গুলো থেকে অবাধে গাছ কাটা হচ্ছে। এতে দিন দিন বিপর্যয়ের মুখে পড়ছে উপকূল ও পরিবেশ।

এদিকে সরেজমিনে গেলে টেকনাফ উপজেলার অন্তর্গত উপকূলীয় অঞ্চল, সাবরাং জিরো পয়েন্ট হতে শাপলাপুর- বাহার ছড়া দীর্ঘ পথের বিভিন্ন জায়গায় সারিবদ্ধ গাছের মাঝে মাঝে ফাঁকা। পড়ে রয়েছে কাটা গাছের অসংখ্য গোড়ালি। কিছু কিছু গোড়ালি বালুর সাথে মিশে গিয়েছে এবং অনেক গাছে রয়েছে করাত ও দা দিয়ে কাটার চিহ্ন।

এসব গাছ কাটার চিহ্ন দেখে স্থানীয়দের কাজ থেকে জানতে চাইলে তাঁরা বলেন, এই ঝাউবাগান ঘূর্ণিঝড়-জলোচ্ছ্বাসে প্রতিরক্ষা দেয়াল হিসেবে উপকূলীয় এলাকাকে রক্ষা করে। আমরা ঝাউবাগানের আশেপাশে চাষাবাদ করি বিদায় মূলত প্রায় সময় দেখতে পায়, গাছ কেটে ফেলার দৃশ্য, যদিও আমাদের চোখে পড়লে তাদের নিষেধ করি বাধা দেয়। তবে অন্য কোনো সময়ে এসে কেউ না, কেউ ঠিকই গাছ কেটে নিয়ে যায়। স্থানীয় যারা রয়েছি বন বিভাগকে অবগত করলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে আশ্বাস দেন। যতটুকু মনে করি টাকার কারণে, এসব অনৈতিক কর্মকাণ্ডের সাথে কোন না কোন ভাবে বন বিভাগের কর্মকর্তারা জড়িত থাকবে।

এ বিষয়ে টেকনাফ উপকূলীয় বন রেঞ্জের কর্মকর্তা বশির আহমেদ খান জানান, বিষয়টি খুবই দুঃখজনক আমিও শুনেছি কিছু অসাধু চক্র উপকূলীয় অঞ্চলের ঝাউবন নিধন করছে। সুনির্দিষ্ট অভিযোগ পেলে ওই অসাধু ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। পাশাপাশি আমাদের কোনো কর্মকর্তা যদিওবা জড়িত থাকে তাদের বিরুদ্ধেও ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সাথে যোগাযোগ করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

কক্সবাজার পরিবেশ অধিদপ্তরের কর্মকর্তারা জানান, বিভিন্ন সময়ে জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বেড়ে যাওয়ায় পানি ওভার-ফ্লু হচ্ছে। সৈকতে পর্যটকদের অবাধ বিচরণ এবং কিছু অসাধু লোকজন সৈকতের বালিয়াড়ি থেকে লতা পাতা কেটে নিয়ে যাওয়ার কারণে সৈকতের বালিয়াড়ি নষ্ট হয়ে যাচ্ছে।

উল্লেখ্য, এই বাগানের আগেও উপকূলীয় বনবিভাগ ৩ হাজার ঝাউবাগানের চারা রোপণ করে বাগান সৃষ্টি করেছিল। কাঠচোরদের দৌরাত্ম্যের কারণে এখন মাত্র কয়েকটি গাছের অস্তিত্ব রয়েছে। এসব গাছ কাটার ফলে এলাকার পরিবেশের বিপর্যয়ের পাশাপাশি সমুদ্রের প্রবল ঢেউয়ের আঘাতে বালু ক্ষয় হচ্ছে। যার ফলে প্রাকৃতিক দুর্যোগ জলোচ্ছ্বাস কিংবা ঘূর্ণিঝড়, বন্যা হলে প্রধান সড়কসহ স্থানীয় বাসিন্দারা নানামুখী ক্ষয়-ক্ষতির সম্মুখীন হবে।

নিউজটি শেয়ার করুন..

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর

copy off