1. akfilmmultimedia@gmail.com : admin2020 :
  2. teknafchannel71@gmail.com : teknaf7120 :
রবিবার, ০২ অগাস্ট ২০২৬, ০৮:৪৩ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
হোয়াইক্যং এ ইউনিয়ন ভাঙচুরের ৪ দিন পারহলেও কোন আইনি ব্যবস্থা নেয়নি – চেয়ারম্যান! ,ক্ষুব্ধ স্থানীয়রা  টেকনাফের মানুষের নিরাপত্তার জন্য ৩টি পুলিশ ফাঁড়ি হবে – এমপি শাহজাহান চৌধুরী, মাদক কারবারিদের দলিয় পদ না দেওয়ায় নির্দেশ অপহরণের ২৪ দিনের মাথায় ২জন অপহরণ কারিকে আটক করেছে র‍্যাব-১৫, স্থানীয়রা ধন্যবাদ জানিয়েছেন র‍্যাবকে হ্নীলা উত্তর যুবদলের সংগঠনের ১০নং ওয়ার্ডের কমিটি ঘোষণা সভাপতি জুহুর আলম সম্পাদক আবছার সাংগঠনিক আবছার-২  রঙ্গিখালী ফাজিল ডিগ্রী মাদ্রাসার সম্পদের লাগিয়ত বা চুক্তি মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষ ছাড়া অন্য কারো সাথে না করার নির্দেশ – সভাপতি জামাল উদ্দিন  এবার ১ দোকানি অপহরণ ৫০ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি  টানা বৃষ্টিতে কর্ম হীন মানুষ ত্রাণ নিয়ে পানি বন্দি মানুষের পাশে এমপি শাহজাহান চৌধুরী কোটি টাকার ইয়াবা সহ র‍্যাব-১৫’র হাতে আটক নারী কারবারি  টেকনাফে চলাচলের রাস্তা বন্ধের প্র’তি’বা’দ করায় কলেজ ছাত্রকে হ’ত্যা!  সীমান্ত নিরাপত্তা, অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার, অপহরণ ও মাদক বন্ধে কঠোর সিদ্ধান্ত হয়েছে – এমপি শাহজাহান চৌধুরী, আইন শৃঙ্খলা কমিটির বিশেষ সভা শেষে গণমাধ্যম কে। 

মাতৃত্বকালীন ভাতা দেয়ার নামে ‘টাকা নিয়েছে এনজিও কর্মী রুবি, খেয়েছেন’ অফিস সহকারী রুবেল

  • আপডেট সময় : শনিবার, ১৭ জুন, ২০২৩
  • ৫৪২ বার পড়া হয়েছে

টেকনাফ প্রতিনিধি।

কক্সবাজারের টেকনাফ উপজেলায় মাতৃত্বকালীন ভাতা দেয়ার কথা বলে টাকা হাতিয়ে নেয়ার অভিযোগ উঠেছে। পাঁচ মাস ধরে এ চক্রের খপ্পরে পড়েছে উপজেলার বিভিন্ন এলাকার শতাধিক পরিবার।

অভিযোগ উঠেছে, এক নারী এনজিও কর্মী এই টাকা হাতিয়েছেন। তবে তার মাধ্যমে টাকা গেছে উপজেলা মহিলা বিষয়ক অফিস সহকারী মো. রুবেলের পকেটে। আর রুবেল বলেছেন, এই টাকা সবাই মিলে খেয়েছেন।

টেকনাফ সদর ইউনিয়নের মাঠ পাড়া এলাকাবাসী জানান, রুবিনা আক্তার নামে এনজিও কর্মী উপজেলা মহিলা বিষয়ক অফিসের রুবেলের পরিচয় দিয়ে এলাকার গরিব ও অসহায় নারীদের কাছ থেকে মাতৃত্বকালীন ভাতা ও বিধবা ভাতার কার্ড করিয়ে দওয়ার কথা বলে টাকা হাতিয়ে নিয়েছেন।

অভিযোগের সত্যতা স্বীকার করে রুবিনা আক্তার বলেন, আমি পিএইচডি এনজিওতে কর্মরত আছি।মাতৃত্বকালীন ভাতার কার্ড করে দেয়ার কথা ছিল, তাদের কাছ থেকে আমি ৪ হাজার টাকা করে নিয়েছি। সেই টাকা উপজেলা মহিলা বিষয়ক অফিসের রুবেলকে দিয়ে ফেলছি। তাদেরকে রুবেল অনলাইন ফরমও দিয়েছে।ওই টাকা তিনি ফেরত দেবেন বলে জানিয়েছেন। তবে বিভিন্ন এলাকা থেকে টাকা হাতিয়ে নেয়ার অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি তা অস্বীকার করেন।

এ ব্যাপারে (PHD পিএইচডি) এনজিওর বিএমজেড প্রকল্পর পিসি মোঃ মোমেন খান জানান, সংস্থা সকল অনিয়মের বিষয়ে সবসময় জিরো টলারেন্স নীতি মেনে চলে। কেউ যদি অবৈধ কার্যক্রম করে থাকে তখন আমরা বিষয়টি তদন্ত করে ব্যবস্থা নিয়ে থাকি।অসহায় দরিদ্রদের উপকারের জন্যই এনজিও কাজ করছে দেশে।কিন্তু তাদের দ্বারা যদি কেউ হয়রানির শিকার হয়, তাহলে কেউ পার পাবে না।আপাততে অভিযুক্ত রুবির চাকরি স্থগিত রাখার জন্য অফিসকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

টেকনাফ সদর ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ড মাঠ পাড়ার ভুক্তভোগী ১০ নারী মাহফুজা আক্তার, রশিদা বেগম, তৈয়বা খাতুন, নাছিমা খাতুন, মনোয়ারা, ছলিমা খাতুন,মুসফেকা বেগম, তৈয়বা আক্তার, দিলদার বেগম, উম্মে শফিকা জানান, মাতৃত্বকালীন ভাতা, ভিজিডির কার্ড ও গৃহহীনদের জন্য দেয়া ঘরসহ সরকারি বিভিন্ন সুবিধা পাইয়ে দেয়ার কথা বলে রুবিনা আক্তার তাদের কাছ থেকে চার থেকে পাঁচ হাজার টাকা করে নিয়েছেন। দীর্ঘ সময় পার হলেও সেই সুবিধা না পেয়ে রুবিনার কাছে তারা টাকা ফেরত চান। কিন্তু এখন পর্যন্ত ওই টাকা ফেরত পাননি, বরং কাউকে বললে টাকাও দেবেন না বলে তাদের বিভিন্ন হুমকি দেয়া হচ্ছে বলে জানান তারা।

মাহফুজা আক্তার বলেন, পাঁচ মাস আগে মাতৃত্বকালীন ভাতা কার্ড ও ভিজিডির কার্ড দেয়ার কথা বলে আমার থেকে ৪৭০০ টাকা হাতিয়ে নিয়েছেন রুবিনা আক্তার। মেয়েটি মিথ্যা গল্পের ফাঁদে ফেলেছে। এখন বুঝেছি তিনি প্রতারক।তিনি বলেন, ফোন করলে রুবিনা বলেন,কার্ড পাবা এতো তাড়াহুড়ো কেন। আরও বলেন,বাকি টাকা বিকাশে পাঠিয়ে দেন, না হলে কার্ড পাবেন না।

টেকনাফ উপজেলা মহিলা বিষয়ক অফিসের সহকারী রুবেল ঘটনার সত্যতা স্বীকার বলেন, আমি পাঁচজন থেকে টাকা নিয়েছি এবং পাঁচজন মা ভাতা পাবেন।এগুলো কি সরকারি ফি- জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘না আমরা সবাই মিলেমিশে খাইছি। আমি তাদের টাকা বিকাশে দিয়ে দেব। ওই নারীরা কেন ইউএনও বরাবর আমার বিরুদ্ধে অভিযোগ করেছে। আমার কাছে আসলে তাদের টাকা ফেরত দিয়ে দিতাম।’

টেকনাফ উপজলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ কামরুজ্জামান অভিযোগ পাওয়ার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, ভুক্তভোগী নারীরা অভিযোগ দিয়েছে। তাদেরকে টাকা ফেরত দেওয়ার জন্য নির্দেশ দেয়া হয়েছে। তবে এসব অপকর্মে যারা জড়িত রয়েছে তাদের বিরুদ্ধে আরো তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। মা ভাতা কার্ড করতে কোনো টাকা লাগে না। সরকার সব ফ্রিতে করে দিচ্ছে।

নিউজটি শেয়ার করুন..

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর

copy off