1. akfilmmultimedia@gmail.com : admin2020 :
  2. teknafchannel71@gmail.com : teknaf7120 :
মঙ্গলবার, ০৬ অক্টোবর ২০২৬, ০৫:৪৪ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
কক্সবাজারে আনন্দযাত্রা হলো বিষাদে, ওড়না পেঁচিয়ে টমটমে প্রাণ গেল পর্যটক সীমার টেকনাফের পরিচয়ে চট্টগ্রামে অবস্থান, হুন্ডির আড়ালে ইয়াবা কারবারের অভিযোগ রোহিঙ্গা মোঃ নূরের বিরুদ্ধে টেকনাফে বিজিবি-এসআরবির পৃথক অভিযানে ৫ লাখ ৯০ হাজার ইয়াবাসহ ৩ জন গ্রেপ্তার টেকনাফে চাকরির প্রলোভনে যুবক অপহরণ, মুক্তিপণ দাবি- থানায় অভিযোগ টেকনাফ জালিয়াপাড়া ও নাইট্যং পাড়ায় ২৫ জনের ভয়ঙ্কর সিন্ডিকেট : যাচ্ছে খাদ্য, আসছে ইয়াবা! ক্যাম্প ২৫ এর এফআইভিডিবির আয়োজনে আন্তর্জাতিক শান্তি দিবস উদযাপন রোহিঙ্গা কামাল, জুবায়ের ও সাইফ আলীর নিয়ন্ত্রণে টেকনাফে ইয়াবা-মানব পাচার সাম্রাজ্য, নেপথ্যে আরসা ও আরকান আর্মি! টেকনাফে দুই স্কুলে তালা, বিপাকে শত শত শিক্ষার্থী : মামলার মুখে ৮ শিক্ষক নির্বাচনী প্রার্থীদের মাদক পরীক্ষা নিয়ে হাইকোর্টের রুল টেকনাফে মা’আরিফুসসুন্নাহ তাহফীজুল কোরআন মাদ্রাসায় খতমে সবিনা, হিফজ সবক প্রদান ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত

কাঁদতে কাঁদতে প্রিজন ভ্যানে উঠলেন ওসি প্রদীপ !

  • আপডেট সময় : বৃহস্পতিবার, ১৮ নভেম্বর, ২০২১
  • ৪০৩ বার পড়া হয়েছে

টেকনাফ ৭১ ডেস্ক

সময় টিভি,

বহুল আলোচিত সেনাবাহিনীর অবসরপ্রাপ্ত মেজর সিনহা মোহাম্মদ রাশেদ খান হত্যা মামলায় সপ্তম দফা সাক্ষ্যগ্রহণ শেষে অঝোরে কেঁদেছেন মামলার ২ নম্বর আসামি টেকনাফ থানার বরখাস্ত হওয়া ওসি প্রদীপ কুমার দাস।

(১৭ নভেম্বর) বুধবার বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে আদালতের কার্যক্রম শেষে পুলিশের প্রিজনভ্যানে তোলার সময় তাকে কাঁদতে দেখা যায়।

এ সময় হাতকড়া পরানো ওসি প্রদীপের দুই পাশে ছিলেন কক্সবাজার সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মুনীর উল গিয়াস ও পরিদর্শক হাফিজুর রহমান।

এর আগে কখনও এভাবে প্রকাশ্যে ওসি প্রদীপক কাঁদতে দেখা যায়নি।

এ বিষয়ে কান্নার রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী কক্সবাজার জেলা ও দায়রা জজ আদালতের পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) ফরিদুল আলম বলেন, আসামি ওসি প্রদীপ হয়তো বুঝতে পেরেছেন শিগগিরই নিজ অপরাধের শাস্তি পেতে যাচ্ছেন। সেই আশঙ্কায় তিনি কাঁদছেন।

আরও পড়ুন : ‘মেজর সিনহাকে গুলি করেন লিয়াকত, বুট দিয়ে গলা চেপে ধরেন প্রদীপ’

এদিকে এ মামলার সপ্তম দফা সাক্ষ্যগ্রহণ শেষে আগামী ২৯ নভেম্বর পরবর্তী সাক্ষ্যগ্রহণের দিন ধার্য করেছেন কক্সবাজার জেলা ও দায়রা জজ মো. ইসমাইলের আদালত।

প্রসঙ্গত, ২০২০ সালের ৩১ জুলাই রাতে টেকনাফ মেরিন ড্রাইভ সড়কের শামলাপুর তল্লাশিচৌকিতে পুলিশের গুলিতে নিহত হন সিনহা মো. রাশেদ খান। ওই ঘটনায় পুলিশ বাদী হয়ে তিনটি (টেকনাফে দুটি, রামুতে একটি) মামলা করে। পুলিশের মামলায় সিনহার সঙ্গে থাকা সাহেদুল ইসলামকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়। এরপর সিনহা যেখানে ছিলেন, হিমছড়ির নীলিমা রিসোর্টে ঢুকে তার ভিডিও দলের দুই সদস্য শিপ্রা দেবনাথ ও তাহসিন রিফাত নুরকেও আটক করা হয়। পরে নুরকে ছেড়ে দিলেও শিপ্রা ও সিফাতকে গ্রেপ্তার করে কারাগারে পাঠায় পুলিশ। পরে তারা জামিনে মুক্তি পান।

(৫ আগস্ট) কক্সবাজার আদালতে টেকনাফ থানার বহিষ্কৃত ওসি প্রদীপ কুমার দাশ, বাহারছড়া তদন্তকেন্দ্রের পরিদর্শক লিয়াকত আলীসহ নয় পুলিশের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা করেন সিনহার বড় বোন শারমিন শাহরিয়া ফেরদৌস। চারটি মামলা তদন্তের দায়িত্ব পায় র‌্যাব।

২০২০ সালের ১৩ ডিসেম্বর ওসি প্রদীপ কুমার দাসসহ ১৫ জনকে অভিযুক্ত করে আদালতে অভিযোগপত্র দেন তদন্তকারী কর্মকর্তা ও র‌্যাব-১৫ কক্সবাজারের সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার মোঃ খাইরুল ইসলাম।

নিউজটি শেয়ার করুন..

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর

copy off