
নাছির উদ্দীন রাজ, টেকনাফ
কক্সবাজার টেকনাফে ব্যাটালিয়ন (২বিজিবি)’র সদস্যরা অভিযান পরিচালনা করে রোহিঙ্গা নবী হোসন গ্রুপের স্বক্রিয় সদস্য সহ ৩ জন কে আটক করেছে। এ সময় তাদের কাছ থেকে ১টি দেশীয় তৈরি দুই নলা বন্দুক, ১টি বিদেশী পিস্তল, ১টি হাত দা, ২ কেজি ১৪০ গ্রাম ক্রিস্টাল মেথ, ৮ রাউন্ড পিস্তলের গুলি, ১০ রাউন্ড এমজি’র গুলি, ১১ রাউন্ড এসএমজি’র গুলি, ৮টি বন্দুকের কার্তুজ, ১টি আর্জেস হ্যান্ড গ্রেনেড, ৩ টি গুলির খালি খোসা এবং নগদ ১০০ টাকা উদ্ধার করতে সক্ষম হয়।
আটক দুইজন উখিয়া ৭নং কুতুপালং ক্যাম্পের ব্লক-বি/৩ এর মোঃ শরীফের ছেলে মোঃ জুবায়ের (৩০) ও ২নং কুতুপালং ক্যাম্পের ব্লক-ডি/৫ এর আমির হোসেনের ছেলে মোঃ আনোয়ার।
তবে মোঃ জুবায়ের রোহিঙ্গা নবী হোছন গ্রুপের নিন্মশ্রেণীর কর্মকর্তা বলে ধারনা করেন ২বিজিবি।
মঙ্গলবার (১২ ডিসেম্বর)সন্ধ্যায় টেকনাফ ব্যাটালিয়ন ২বিজিবির অধিনায়ক লেঃ কর্নেল মোঃ মহিউদ্দীন আহমেদ এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য নিশ্চিত করেন।
তিনি বলেন, সকালে দমদমিয়া বিওপির দায়িত্বপূর্ণ বিআরএম – ৭ হতে আনুমানিক ৬০০ গজ উত্তর দিকে বড়ইতলী বক্করের জোড়া নামক এলাকা দিয়ে অস্ত্র ও মাদকের একটি চালান মায়ানমার হতে বাংলাদেশে আসতে পারে।
এমন সংবাদের ভিত্তিতে ব্যাটারিয়ন সদর এবং দমদমিয়া বিওপির দুইটি চোরাচালান প্রতিরোধ টহল দল বর্ণিত এলাকায় কৌশলে অবস্থান করেন। এ সময় সন্দেহভাজন ৪ জন ব্যক্তিকে দুটি নৌকা যোগে সীমান্তের শূন্য লাইন অতিক্রম করে বাংলাদেশের অভ্যন্তরে বড়ইতলী বক্করের জোড়া নামক এলাকার দিকে আসতে দেখে। ওই নৌকার মধ্য হতে একটি নৌকা বক্করের জোড়া খালের ভিতবে প্রবেশ করলে টহল দল উক্ত নৌকায় অবস্থানরত দুই জন ব্যক্তিকে ঘেরাও করে আটক করতে সক্ষম হয়। তবে পিছনে থাকা অপর নৌকাটি টহলদলের উপস্থিতি টের পেয়ে দ্রুত মায়নমারের অভ্যান্তরে পালিয়ে যায়।
অপর দিকে একইদিনে হোয়াইক্যং চেক পোস্টে বিজিবি সদস্যরা একটি বাসে তল্লাশি করে ৪ হাজার পিস ইয়াবা ও ১ টি মোবাইল ফোন উদ্ধার করে। এ সময় পাচার কাজে জড়িত থাকার কক্সবাজার সদর উপজেলার আবুল কাশের ছেলে ওমর ফারুক (২০) কে আটক করেন এবং বাসটি জব্দ করেন।
তিনি আরো বলেন, আটক কৃত আসামি ও জব্দ কৃত মালামাল নিয়মিত মামলার মাধ্যমে টেকনাফ মডেল থানায় হস্তান্তর কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন।
copy off
Leave a Reply