1. akfilmmultimedia@gmail.com : admin2020 :
  2. teknafchannel71@gmail.com : teknaf7120 :
মঙ্গলবার, ০৬ অক্টোবর ২০২৬, ০৪:৩৩ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
কক্সবাজারে আনন্দযাত্রা হলো বিষাদে, ওড়না পেঁচিয়ে টমটমে প্রাণ গেল পর্যটক সীমার টেকনাফের পরিচয়ে চট্টগ্রামে অবস্থান, হুন্ডির আড়ালে ইয়াবা কারবারের অভিযোগ রোহিঙ্গা মোঃ নূরের বিরুদ্ধে টেকনাফে বিজিবি-এসআরবির পৃথক অভিযানে ৫ লাখ ৯০ হাজার ইয়াবাসহ ৩ জন গ্রেপ্তার টেকনাফে চাকরির প্রলোভনে যুবক অপহরণ, মুক্তিপণ দাবি- থানায় অভিযোগ টেকনাফ জালিয়াপাড়া ও নাইট্যং পাড়ায় ২৫ জনের ভয়ঙ্কর সিন্ডিকেট : যাচ্ছে খাদ্য, আসছে ইয়াবা! ক্যাম্প ২৫ এর এফআইভিডিবির আয়োজনে আন্তর্জাতিক শান্তি দিবস উদযাপন রোহিঙ্গা কামাল, জুবায়ের ও সাইফ আলীর নিয়ন্ত্রণে টেকনাফে ইয়াবা-মানব পাচার সাম্রাজ্য, নেপথ্যে আরসা ও আরকান আর্মি! টেকনাফে দুই স্কুলে তালা, বিপাকে শত শত শিক্ষার্থী : মামলার মুখে ৮ শিক্ষক নির্বাচনী প্রার্থীদের মাদক পরীক্ষা নিয়ে হাইকোর্টের রুল টেকনাফে মা’আরিফুসসুন্নাহ তাহফীজুল কোরআন মাদ্রাসায় খতমে সবিনা, হিফজ সবক প্রদান ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত

মা দিবসে মা-কে জমজ বোনের ‘গোল্ডেন এ প্লাস’ উপহার

  • আপডেট সময় : রবিবার, ১২ মে, ২০২৪
  • ২৬৪ বার পড়া হয়েছে

অনলাইন ডেস্ক:

ওয়ালিয়া নাওয়া ও ওয়াজিয়া নাওয়া জমজ বোন। তারা রাজধানীর ভিকারুননিসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজের শিক্ষার্থী। দুজনেই এ বছর এসএসসি পরীক্ষায় ‘গোল্ডেন এ প্লাস’ পেয়েছেন।

রোববার (১২ মে) এ দুই বোন নিজেদের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে গিয়ে প্রত্যাশিত ফল জানার পর আনন্দে মেতে উঠেন। খানিক দূরে দাঁড়িয়ে মোবাইল ফোনে মেয়েদের এ আনন্দ-উল্লাসের ছবি তুলছিলেন মা শান্তা হোসাইন। জমজ মেয়েদের গোল্ডেন এ প্লাস প্রাপ্তিতে খুশিতে আত্মহারা তিনিও।

শান্তা হোসাইন জাগো নিউজকে বলেন, ওরা যেদিন ভিকারুননিসাতে চান্স পেয়েছিল সেদিন যে খুশি লেগেছে আজও একই আনন্দ অনুভব করছি। ওরা ওদের পরিশ্রমের ফল পেয়েছে। সত্যি কথা বলতে, পড়াশোনার জন্য ওদের কখনো জোর করতে হয়নি। ওদের কাজ ওরাই করেছে। আমি শুধু পাশে থেকেছি। এটি ওদের শুরু মাত্র। ভবিষ্যতে আরও এগিয়ে যেতে হবে। আরও বড় বড় পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হতে হবে।

এসময় ওয়াজিয়া নাওয়া জাগো নিউজকে বলেন, এটি আসলে অন্যতম বড় প্রাপ্তি। মা অনেক কষ্ট করেছেন, এটি মায়ের জন্য উপহার। এছাড়াও ভালো ফলাফলের পেছনে আমার বাবা ও শিক্ষকদের অবদান রয়েছে। তবে বিশেষভাবে বলতে গেলে আমাদের বড় ভাই সবচেয়ে বেশি অনুপ্রেরণা দিয়েছেন।

ভাইয়া গত বছর মারা গেছেন। তিনি এসএসসিতে ভালো ফলাফলের জন্য সবসময় পরামর্শ দিতেন। ভাইয়া মারা যাওয়ার পর তার কথা আমাদের দু-বোনের মাথায় গেঁথে যায়। আমরা সবসময় চেয়েছি যেন ভাইয়ার ইচ্ছাটুকু পূরণ করতে পারি। আলহামদুলিল্লাহ, আমরা সেটা পেরেছি’- বলেন ওয়াজিয়া নাওয়া।

বাসায় দু-বোনের পড়াশোনা নিয়ে অন্য বোন ওয়ালিয়া নাওয়া বলেন, আমরা দুজনই প্রতিযোগিতার মন-মানসিকতা নিয়ে পড়ালেখা করেছি। আমি ভোরে ওর চেয়ে এক ঘণ্টা বেশি পড়াশোনা করলে সে রাতে আমার চেয়ে এক ঘণ্টা বেশি পড়তো। যে কোনো পরীক্ষায় নম্বর পাওয়া নিয়েও আমাদের মধ্যে কম্পিটিশন হতো। এভাবেই আমরা প্রস্তুতি নিয়েছি। সবসময় আমরা একজন অন্যজনকে বিট করতে চাইতাম। আবার পরীক্ষা হলে মনে করতাম দুজন দুজনের পাশে আছি।

ভবিষ্যতে নিজেদের কোন পর্যায়ে দেখতে চান- জানতে চাইলে ওয়ালিয়া বলেন, আমি মনে করি জীবনে ভালো মানুষ হওয়া এবং সব দিক থেকে ভালো হওয়ার চেষ্টা করাটাই আমাদের সবচেয়ে বড় লক্ষ্য। সবার আগে ভালো মানুষ হতে চাই। ###

নিউজটি শেয়ার করুন..

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর

copy off