1. akfilmmultimedia@gmail.com : admin2020 :
  2. teknafchannel71@gmail.com : teknaf7120 :
সোমবার, ২৭ জুলাই ২০২৬, ০৫:১৫ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
হোয়াইক্যং এ ইউনিয়ন ভাঙচুরের ৪ দিন পারহলেও কোন আইনি ব্যবস্থা নেয়নি – চেয়ারম্যান! ,ক্ষুব্ধ স্থানীয়রা  টেকনাফের মানুষের নিরাপত্তার জন্য ৩টি পুলিশ ফাঁড়ি হবে – এমপি শাহজাহান চৌধুরী, মাদক কারবারিদের দলিয় পদ না দেওয়ায় নির্দেশ অপহরণের ২৪ দিনের মাথায় ২জন অপহরণ কারিকে আটক করেছে র‍্যাব-১৫, স্থানীয়রা ধন্যবাদ জানিয়েছেন র‍্যাবকে হ্নীলা উত্তর যুবদলের সংগঠনের ১০নং ওয়ার্ডের কমিটি ঘোষণা সভাপতি জুহুর আলম সম্পাদক আবছার সাংগঠনিক আবছার-২  রঙ্গিখালী ফাজিল ডিগ্রী মাদ্রাসার সম্পদের লাগিয়ত বা চুক্তি মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষ ছাড়া অন্য কারো সাথে না করার নির্দেশ – সভাপতি জামাল উদ্দিন  এবার ১ দোকানি অপহরণ ৫০ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি  টানা বৃষ্টিতে কর্ম হীন মানুষ ত্রাণ নিয়ে পানি বন্দি মানুষের পাশে এমপি শাহজাহান চৌধুরী কোটি টাকার ইয়াবা সহ র‍্যাব-১৫’র হাতে আটক নারী কারবারি  টেকনাফে চলাচলের রাস্তা বন্ধের প্র’তি’বা’দ করায় কলেজ ছাত্রকে হ’ত্যা!  সীমান্ত নিরাপত্তা, অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার, অপহরণ ও মাদক বন্ধে কঠোর সিদ্ধান্ত হয়েছে – এমপি শাহজাহান চৌধুরী, আইন শৃঙ্খলা কমিটির বিশেষ সভা শেষে গণমাধ্যম কে। 

টেকনাফে ইয়াবা বানিজ্য চালিয়ে যাচ্ছে ফরিদ আলম!

  • আপডেট সময় : রবিবার, ৭ জুন, ২০২০
  • ৬৪৪ বার পড়া হয়েছে

নিজস্ব প্রতিনিধিঃ টেকনাফ সদরের নাজিরপাড়ার কুরুববন এলাকার কুখ্যাত ইয়াবা মাদক চোরাকারবারী ফরিদ আলমের ইয়াবা বানিজ্য দেদারসে চালিয়ে যাচ্ছে। ফরিদ একসময় ভুট্টো বাহিনীর সদস্য হয়ে কাজ করতেন বলে আমরা জানতে পারি। ফরিদ ঢাকা, নারায়ণগঞ্জসহ আশেপাশের এলাকায় ইয়াবার যোগান দিয়ে থাকে। ক্রাইম ডিসকভারির অনুসন্ধানী টিমকে এলাকাবাসী বলেন যে, ফরিদের সহযোগী হিসেবে কাজ করে নওগাঁ জেলার মাসুদ রানা ওরফে ইয়াবা রানা এবং যশোরের শহিদুল ওরফে মোল্লা শহিদুল। রানা রোহিঙ্গা মেয়েকে বিয়ে করে টেকনাফ শহরে বাসা ভাড়া নিয়ে বসবাস করে এবং ঢাকার ইয়াবা কারবারীদের সাথে যোগাযোগ করে আর্থিক লেনদেন সম্পাদন করে।

আরও জানা যায় যে, রানা অভিযান শুরুর পর থেকেই ঢাকায় অবস্থান করছে এবং ইয়াবা বানিজ্য নিয়ন্ত্রণ করে আসছে। এই ফরিদ আলম ইয়াবার কারবার করে অল্পদিনেই গড়ে তুলেছেন সম্পদের পাহাড়। সে প্রশাসনের চোখ ফাঁকি দিতে কখনও কুতুপালং রোহিঙ্গা ক্যাম্পে অবস্থান করেন আবার কখনও বা সাবরাং এর মন্ডলপাড়ায় অবস্থান নেয় এবং সেখানে বসেই তার ইয়াবার চালান ঢাকায় পাঠানো হয়। আমরা অনুসন্ধানপূর্বক আরও জানতে পারি যে, ফরিদ আলমের বিরুদ্ধে টেকনাফ থানায় একাধিক মাদক মামলাও রয়েছে।

এলাকাবাসীর আশংকা স্থানীয় সচেতন মহলের দাবি তাকে যদি আইনের আওতায় না আনতে পারে তাহলে সে একদিন ভূট্টুর মতো হয়ে উঠবে। তাই এলাকাবাসী প্রশাসনের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেন।

 

 

 

 

 

সূত্র ক্রাইম ডিসকভারির

নিউজটি শেয়ার করুন..

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর

copy off