1. akfilmmultimedia@gmail.com : admin2020 :
  2. teknafchannel71@gmail.com : teknaf7120 :
বুধবার, ০৭ অক্টোবর ২০২৬, ০২:৪৮ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
সেন্ট মার্টিনে ৭০০ টাকায় খৎনা, দুই দিন পর ৫০ শিশুর রক্তক্ষরণ : ইউএনওর গাফিলতির অভিযোগ তরুণদের মাঠে রাখতে পারলে মাদক-অপরাধ থেকে দূরে রাখা যাবে: হ্নীলায় জেএসিএফ ট্রফির উদ্বোধনে বক্তারা  কক্সবাজারে আনন্দযাত্রা হলো বিষাদে, ওড়না পেঁচিয়ে টমটমে প্রাণ গেল পর্যটক সীমার টেকনাফের পরিচয়ে চট্টগ্রামে অবস্থান, হুন্ডির আড়ালে ইয়াবা কারবারের অভিযোগ রোহিঙ্গা মোঃ নূরের বিরুদ্ধে টেকনাফে বিজিবি-এসআরবির পৃথক অভিযানে ৫ লাখ ৯০ হাজার ইয়াবাসহ ৩ জন গ্রেপ্তার টেকনাফে চাকরির প্রলোভনে যুবক অপহরণ, মুক্তিপণ দাবি- থানায় অভিযোগ টেকনাফ জালিয়াপাড়া ও নাইট্যং পাড়ায় ২৫ জনের ভয়ঙ্কর সিন্ডিকেট : যাচ্ছে খাদ্য, আসছে ইয়াবা! ক্যাম্প ২৫ এর এফআইভিডিবির আয়োজনে আন্তর্জাতিক শান্তি দিবস উদযাপন রোহিঙ্গা কামাল, জুবায়ের ও সাইফ আলীর নিয়ন্ত্রণে টেকনাফে ইয়াবা-মানব পাচার সাম্রাজ্য, নেপথ্যে আরসা ও আরকান আর্মি! টেকনাফে দুই স্কুলে তালা, বিপাকে শত শত শিক্ষার্থী : মামলার মুখে ৮ শিক্ষক

টেকনাফে ইয়াবা বানিজ্য চালিয়ে যাচ্ছে ফরিদ আলম!

  • আপডেট সময় : রবিবার, ৭ জুন, ২০২০
  • ৬৬৫ বার পড়া হয়েছে

নিজস্ব প্রতিনিধিঃ টেকনাফ সদরের নাজিরপাড়ার কুরুববন এলাকার কুখ্যাত ইয়াবা মাদক চোরাকারবারী ফরিদ আলমের ইয়াবা বানিজ্য দেদারসে চালিয়ে যাচ্ছে। ফরিদ একসময় ভুট্টো বাহিনীর সদস্য হয়ে কাজ করতেন বলে আমরা জানতে পারি। ফরিদ ঢাকা, নারায়ণগঞ্জসহ আশেপাশের এলাকায় ইয়াবার যোগান দিয়ে থাকে। ক্রাইম ডিসকভারির অনুসন্ধানী টিমকে এলাকাবাসী বলেন যে, ফরিদের সহযোগী হিসেবে কাজ করে নওগাঁ জেলার মাসুদ রানা ওরফে ইয়াবা রানা এবং যশোরের শহিদুল ওরফে মোল্লা শহিদুল। রানা রোহিঙ্গা মেয়েকে বিয়ে করে টেকনাফ শহরে বাসা ভাড়া নিয়ে বসবাস করে এবং ঢাকার ইয়াবা কারবারীদের সাথে যোগাযোগ করে আর্থিক লেনদেন সম্পাদন করে।

আরও জানা যায় যে, রানা অভিযান শুরুর পর থেকেই ঢাকায় অবস্থান করছে এবং ইয়াবা বানিজ্য নিয়ন্ত্রণ করে আসছে। এই ফরিদ আলম ইয়াবার কারবার করে অল্পদিনেই গড়ে তুলেছেন সম্পদের পাহাড়। সে প্রশাসনের চোখ ফাঁকি দিতে কখনও কুতুপালং রোহিঙ্গা ক্যাম্পে অবস্থান করেন আবার কখনও বা সাবরাং এর মন্ডলপাড়ায় অবস্থান নেয় এবং সেখানে বসেই তার ইয়াবার চালান ঢাকায় পাঠানো হয়। আমরা অনুসন্ধানপূর্বক আরও জানতে পারি যে, ফরিদ আলমের বিরুদ্ধে টেকনাফ থানায় একাধিক মাদক মামলাও রয়েছে।

এলাকাবাসীর আশংকা স্থানীয় সচেতন মহলের দাবি তাকে যদি আইনের আওতায় না আনতে পারে তাহলে সে একদিন ভূট্টুর মতো হয়ে উঠবে। তাই এলাকাবাসী প্রশাসনের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেন।

 

 

 

 

 

সূত্র ক্রাইম ডিসকভারির

নিউজটি শেয়ার করুন..

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর

copy off