1. akfilmmultimedia@gmail.com : admin2020 :
  2. teknafchannel71@gmail.com : teknaf7120 :
বুধবার, ২৬ অগাস্ট ২০২৬, ০২:০৯ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
একরাম হত্যা : মিফতাহ ও বদিকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ স্বজন হারানোর আর্তনাত ও নিজ দেশে ফেরার আকুতিতে ক্যাম্পে রোহিঙ্গাদের সমাবেশ টেকনাফে মাদকবিরোধী র‍্যালি ও সমাবেশ রাতে মা সকালে পিতাকে হারিয়ে বাকরুদ্ধ টেকনাফের পুলিশ সদস্য কামাল : গ্রামজুড়ে শোকের ছাড়া  মাদক দেশ ও জাতির শত্রু তাই মাদক কে না বলুন – টেকনাফে এমপি শাহজাহান চৌধুরী  মিয়ানমারে পাচার কালে ৫৩ বস্তা সারসহ ইঞ্জিনচালিত নৌকা জব্দ করেছে বিজিবি  টেকনাফে অবৈধ মাটি উত্তোলনের বিরুদ্ধে অভিযান, ড্রেজারসহ জব্দ ৩ ড্রাম ট্রাক কোস্টগার্ডের পৃথক অভিযানে বোটে তল্লাশি চালিয়ে কোটি টাকার ইয়াবা উদ্ধার আটক ৪ জন  র‍্যাব-১৫’র অভিযানে বিদেশে পাচার কালে ৪ নারী ও ৬ পুরুষ উদ্ধার আটক ১ পাচার কারি  টেকনাফে ৩ বাহিনীর পৃথক অভিযানে বিপুল পরিমাণ ইয়াবা ও নগদ টাকা উদ্ধার আটক ৩ জন 

টেকনাফে গ্রেফতার আতঙ্কে পুরুষশূন্য গ্রাম, বাড়িঘরে লুটপাটের অভিযোগ

  • আপডেট সময় : রবিবার, ৮ আগস্ট, ২০২১
  • ৩৮৯ বার পড়া হয়েছে

টেকনাফ (কক্সবাজার) প্রতিনিধি

 

গ্রেফতার আতঙ্কে পুরুষশূন্য হয়ে পড়েছে কক্সবাজারের টেকনাফের সদর ইউনিয়নের ছোট হাবিবপাড়া গ্রাম

পুলিশের ওপর হামলা চালিয়ে আসামি ছিনিয়ে নেওয়ার ঘটনায় করা মামলায় গ্রেফতার আতঙ্কে পুরুষশূন্য হয়ে পড়েছে কক্সবাজারের টেকনাফের সদর ইউনিয়নের ছোট হাবিবপাড়া গ্রাম। এ ঘটনায় শনিবার (০৭ আগস্ট) বিকাল পর্যন্ত নারীসহ ১৭ জনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। গ্রাম পুরুষশূন্য হওয়ার সুযোগে দোকান ও বাড়িঘরে লুটপাটের ঘটনা ঘটেছে।

পুলিশ জানায়, গত বুধবার মাদক মামলার আসামি ছোট হাবিবপাড়ার মো. হাবিবুর রহমান হাবিব ওরফে মগুকে গ্রেফতারের পর হামলা চালিয়ে তাকে ছিনিয়ে নেন স্বজনরা। এ সময় তিন পুলিশ কর্মকর্তা আহত হন। এ ঘটনায় ৪৪ জনকে আসামি করে মামলা করে পুলিশ।

স্থানীয়রা জানায়, ছোট হাবিবপাড়া গ্রামে পাঁচ শতাধিক পরিবারের বসবাস। গত বুধবার আসামি ছিনতাইয়ের পর গ্রামে অভিযান চালায় পুলিশ। এরপর থেকে ঘটনায় জড়িতদের ধরতে অভিযান চলছে দফায় দফায়। এ অবস্থায় গ্রামের অধিকাংশ দোকানপাট বন্ধ রয়েছে। ঘটনায় জড়িত অনেকেই আত্মগোপনে চলে গেছে। আবার ঘটনায় জড়িত নন, এমন অনেকেই গ্রেফতার আতঙ্কে গ্রাম ছেড়ে পালিয়েছেন। এই সুযোগে দোকান ও বাড়িঘর লুটপাট করা হয়েছে।

গ্রামের বাসিন্দা ফাতিমা খাতুন বলেন, ‘আমার স্বামী তিন মাস আগে সৌদি আরব থেকে দেশে আসেন। শুক্রবার বিকালে হঠাৎ করে পুলিশ এসে স্বামীকে ধরে নিয়ে যায়। তার কি অপরাধ কিছুই বলেনি। ঘরে তালা দিয়ে স্বামীকে ছাড়িয়ে আনতে পাসপোর্ট ও বিমানের টিকিটসহ কাগজপত্র নিয়ে থানায় যাই। সারাদিন চেষ্টার পরও স্বামীকে ছাড়াতে পারলাম না। রাত হয়ে যাওয়ায় আত্মীয়ের বাড়িতে ছিলাম। শনিবার সকালে বাড়ি এসে দেখি ঘরের দরজা ভেঙে আলমারিতে থাকা আট ভরি স্বর্ণ ও ৯০ হাজার টাকা লুট করে নিয়ে গেছে।’

একই গ্রামের বাসিন্দা নুর বেগম বলেন, ‘আসামির খোঁজে প্রতি রাতে বাড়িতে তল্লাশি চালাচ্ছে পুলিশ। ভয়ে পুরুষরা বাড়িতে থাকছে না। পুরো গ্রাম পুরুষশূন্য। আমরা চাই অপরাধীদের আইনের আওতায় আনা হোক। তবে নিরপরাধ কেউ যেন হয়রানির শিকার না হয়।’

স্থানীয় দোকানি মোহাম্মদ ইসলাম বলেন, ‘কে বা কারা রাতে আমার দোকানের সব মালামাল ও নগদ টাকা লুট করে নিয়ে গেছে। তবে এমন চুরির ঘটনা এখানে এর আগে ঘটেনি।’

জানতে চাইলে টেকনাফ মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. হাফিজুর রহমান বলেন, ‘ঘটনায় জড়িতদের ধরতে অভিযান চলছে। নিরপরাধ কাউকে হয়রানি করা হচ্ছে না। দোকান ও বসতঘরে লুটপাটের বিষয়ে কেউ লিখিত অভিযোগ দেয়নি। অভিযোগ পেলে ব্যবস্থা নেবো।’

বাংলা ট্রিবিউন

নিউজটি শেয়ার করুন..

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর

copy off