1. akfilmmultimedia@gmail.com : admin2020 :
  2. teknafchannel71@gmail.com : teknaf7120 :
শনিবার, ৩১ অক্টোবর ২০২৬, ০৫:১৭ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
উখিয়া উপজেলা ছাত্রদলের সভাপতি- রিদুয়ান, সম্পাদক- রিয়াদ, সাংগঠনিক- রেজাউল টেকনাফ পৌর ছাত্রদলের সভাপতি- সাগর, সম্পাদক- আসিফ, সাংগঠনিক- ফিরোজ টেকনাফ উপজেলা ছাত্রদলের কমিটি অনুমোদন, সভাপতি- শামীম, সম্পাদক- আরমান পালংখালীতে দেড় লাখ ইয়াবা আত্মসাৎ, অস্ত্রের মহড়ায় থমথমে নলবনিয়া পানির নিচে ৩ লাখ ইয়াবা! অভিনব কায়দায় লুকানো চালান উদ্ধার, নারী গ্রেপ্তার সাবরাংয়ে জমির পাওনা টাকা চাওয়ায় ছুরিকাঘাতে দুই ভাই রক্তাক্ত, মাদক দিয়ে ফাঁসানোর হুমকির : থানায় অভিযোগ টেকনাফে ২০ লাখ টাকা চাঁ’দা দাবি, না পেয়ে ঠিকাদারকে হ’ত্যাচেষ্টা: যুবলীগ নেতা খোকনসহ ৬ জনের বিরুদ্ধে মামলা স্বামীর ঘর থেকে স্বর্ণ ও নগদ টাকা নিয়ে টেকনাফে নববধূ আসমা! থানায় অভিযোগ  টেকনাফে ৩ কোটি টাকার অবৈধ কারেন্ট জাল পুড়িয়ে ধ্বংস বিএনপির রাজনীতি করতে গিয়ে সরকারি চাকরি বঞ্চিত নুরুল আমিন আশিক, এবার যুবদলের নেতৃত্বে আসতে চান

টেকনাফ স্থল বন্দর এল,সিতে পরিনত হলে রাজস্বের আমুল পরিবর্তন ঘটবে!!

  • আপডেট সময় : মঙ্গলবার, ১৭ মার্চ, ২০২০
  • ৮৯৪ বার পড়া হয়েছে

মোঃ আশেক উল্লাহ ফারুকী::(টেকনাফ৭১)
বাংলাদেশ মিয়ানমার সীমান্ত বানিজ্য টেকনাফ স্থল বন্দরকে (পি.ডি.ডি) ড্রাপের পরিবর্তে (এল.সি( জমাপত্রের আওতায় আনা হলে তৃতীয় দেশের সাথে আমদানি ও রপ্তানীর মাত্রার গতিশীলতা এবং স্থল বন্দরে রাজস্বের হার বহুগুনে বৃর্দ্দি পাবে। সেই সাথে ব্যবসায়ীরা স্বাধীন ভাবে ব্যবসা করতে পারবে। এমন অভিমত ব্যবসায়ীদের। অনুসন্ধানে যান যায়, ১৯৯৫ সালে ৫ সেপ্টম্বর বাংলাদেশ মিয়ানমার দুদেশের সীমান্ত পর্যায়ে সীমান্ত বানিজ্য কার্যক্রম আনুষ্ঠানিক ভাবে শুরু হয়। উদ্দেশ্যে দুদেশের সীমান্তের চোরাচালান রোধ করে বৈধ ব্যবসার প্রতি ব্যবসায়ীদের মনোনিবেশ করা। আজ ২৪ বছর অতিক্রান্ত হতে চলেছে, ধরা বাঁধা ড্রাপের আমদানি ও রপ্তানী বানিজ্য জীবন ঝুঁকি নিয়ে ব্যবসায়ীরা ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছে। টেকনাফ স্থল বন্দর এলসি তথা জমাপত্রে পরিনত হলে মিয়ানমার, থাইলেন্ড ও মালয়োশিয়া তৃতীয় দেশের সাথে আমদানি ও রপ্তানী সাফল্য বয়ে আনবে বলে অভিজ্ঞ ব্যবসায়ীরা মতে প্রকাশ করেন এবং স্থল বন্দরে থাকবেনা আধিপাত্য বলপ্রয়োগ এবং ক্ষমতার অপব্যবহার। ফিরে আসবে ব্যবসার প্রাণ চঞ্চলতা। সূত্র অনুযায়ী পঁচনশীল জাতীয় সর্বোচ্চ ব্যবসায়ীরা ৫০ হাজার (ইউ.এস.এ) মার্কিন ডলার এবং অন্যান্য অপঁচনশীল জাতীয় পণ্যের ৩০ হাজার ডলার ড্রপের মাধ্যমে ব্যবসায়ীরা ব্যবসা করে আসছে। টেকনাফ স্থল বন্দরকে ড্রাপের পরিবর্তে (এল.সি) জমাপত্রের পরিনত করলে ভবিষ্যতে চট্টগ্রাম বন্দরকে হার বানাবে। অপর দিকে চট্টগ্রাম বন্দর আমদানি ও রপ্তানীতে জটলা এবং প্রতিবন্ধকতা থেকে মুক্ত হবে। চট্টগ্রাম (কর্ণফূলী) আন্তর্জাতিক বন্দর এবং কর্ণফূলী নদী নাব্যতার করণে প্রায় ভারি পণ্যবাহী জাহাজ চট্টগ্রাম বন্দর (কর্ণফূলী নদীতে) প্রবেশ করতে পারে না এবং প্রায় জাহাজ আনোয়ারা, কুতুকদিয়া ও সন্দীপ উপকূলীয় সাগরে অবস্থান করে থাকে। মিয়ানমার, মালয়েশিয়া ও থাইলেন্ড তৃতীয় দেশের সাথে সীমান্ত বানিজ্য এল.সির মাধ্যমে হলে দক্ষিণ ও পূর্ব সীমান্তবর্তী টেকনাফ স্থল বন্দরের আমদানি ও রপ্তানীতে অর্থনৈতিক দরজা খুলে যাবে এবং সেই সাথে চোরাচালানের প্রতি বিমোখ। হয়ে সীমান্তবর্তী মানুষের ভাগ্য পরিবর্তন বয়ে আনবে। টেকনাফ উপজেলা আঃলীগের সভাপতি ও সাবেক সাংসদ অধ্যাপক মোঃ আলী এ প্রসংগে বলেন, সীমান্ত বানিজ্য সম্প্রসারন এবং তৃতীয় দেশের সাথে এলসির মাধ্যমে ব্যবসা হলে স্থল বন্দরের রাজস্ব বাড়বে এবং এ রাজস্ব দিয়ে দেশের দক্ষিণাঞ্চলের উন্নয়ন সম্ভব হবে।

নিউজটি শেয়ার করুন..

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর

copy off